• কাঁকসায় প্রধান শিক্ষককে বিক্ষোভ দেখালেন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা
    বর্তমান | ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদদাতা, মানকর: শুক্রবার কাঁকসার বিদবিহারে শিবপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা। তাঁদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক চারজন রাঁধুনিকে রেখে তাঁদের কাজ থেকে বসিয়ে দিয়েছেন। এঘটনায় স্কুলে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। মিড-ডে মিল রান্না বন্ধ থাকে। প্রধান শিক্ষক দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এখন মিড-ডে মিল রান্নায় স্বনির্ভর গোষ্ঠী নেই। চারজন রাঁধুনির অ্যাকাউন্টে প্রশাসন টাকা দিচ্ছে। বাকিদের বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। পশ্চিম বর্ধমান জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। শুক্রবার সকাল থেকেই ওই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা স্কুলচত্বরে ভিড় করেন। তাঁদের অভিযোগ, গোষ্ঠীর ৪০জন মহিলা রান্নার কাজ করেন। অথচ প্রধান শিক্ষক চারজন রাঁধুনিকে রেখে বাকিদের বের করে দিতে চাইছেন। বিক্ষোভকারীদের তরফে সোনা বাগদি বলেন, প্রধান শিক্ষক বলছেন চারজন রান্নার কাজে থাকবে। অথচ আমাদের তিনি এর আগে কিছুই জানাননি। আমরা এই কাজ ছাড়ব না। প্রধান শিক্ষককেও বিদ্যালয়ে ঢুকতে দেব না। অপর বিক্ষোভকারী সীমা বাগদি বলেন, এতদিন আমরা সবাই কাজ করতাম। চারজনের অ্যাকাউন্টে টাকা এলেও তা সবাইকে ভাগ করে দেওয়া হত। এখন বলা হচ্ছে, যাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা আসে, তাঁরাই রান্না করবেন।

    এদিন প্রধান শিক্ষক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের বোঝানোর চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। ওই মহিলারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা বিদ্যালয়ে রান্নার কাজ করে আসছেন। আচমকা কাজ বন্ধ হয়ে গেলে তাঁরা সমস্যায় পড়বেন। ঝামেলার জেরে এদিন স্কুলে মিড-ডে মিল রান্না হয়নি। এবিষয়ে দেবব্রতবাবু বলেন, বেশিরভাগ পড়ুয়াই এদিন মিড-ডে মিল খেতে চায়নি। তবে আমরা মিষ্টি, কেক দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। কাঁকসার বিডিও সৌরভ গুপ্ত বলেন, গতবছর থেকে নিয়ম হয়েছে, রাঁধুনিদের টাকা তাঁদের নিজস্ব অ্যাকাউন্টে যাবে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর অ্যাকাউন্টে কোনও টাকা যাবে না। ওঁরা আমাদের কাছে এলে আমরা বিষয়টি বলে দেব।-নিজস্ব চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)