সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোট হতে এখনও দুই সপ্তাহ। তার আগেই জয়ী বিজেপির নেতৃত্বাধীন মহাজুটি। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ৬৮ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ৪৪ জন বিজেপি প্রার্থী। শুক্রবারই ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। নির্ধারিত সময় শেষে দেখা যায় বিরোধী জোটের বহু প্রার্থী নিজেদের ভোটের লড়াই থেকে সরিয়ে নিয়েছেন। যার ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথ সুগম হয়ে যায় মহাজুটির বহু প্রার্থীর। এর আগেই মহারাষ্ট্রে পুর-পঞ্চায়েত নির্বাচনে একপেশে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে গেরুয়া শিবির। ২৮৮টি মহারাষ্ট্র নগর পরিষদ এবং পঞ্চায়েতের মধ্যে ১২৯টির দখল নিয়েছে বিজেপি।
এর মধ্যে থানে জেলার অন্তর্গত কল্যাণ-ডোম্বিভিলি পুরসভা এলাকার প্রার্থীদের সংখ্যাই বেশি। এছাড়াও পুণে, পিম্পরি চিনচাওয়াড়, পনভেল, ভিওয়ান্ডি, ধুলে, জলগাঁও ও আহিল্যনগরেও একই ট্রেন্ড লক্ষ করা গিয়েছে। জয়ীদের মধ্যে সিংহভাগই বিজেপি প্রার্থী। বাকিদের মধ্যে শিবসেনার শিণ্ডে শিবিরের ২২ জন প্রার্থী রয়েছেন। এবং অজিত পওয়ারের এনসিপি থেকে রয়েছেন দু’জন।
পুণেতে ওয়ার্ড নম্বর ৩৫-এ মঞ্জুষা নাগপুরে ও শ্রীকান্ত জগতাপ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে। সেখানে ১২৫টি আসনে ভোট হবে। আগেই দু’টি আসন চলে গেল বিজেপি তথা মহাজুটির দখলে। বিজেপি মুখপাত্র কেশব উপাধ্যায় বলেছেন, রাজ্যের শহরগুলিতে পুর নিগমে দলের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকেই তুলে ধরেছে এই আগাম জয়।
যদিও উলটো সুর শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের গলায়। উদ্ধব সেনার মুখপাত্র প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী বলেছেন, ”গণতন্ত্রকে শেষ করার এক বাধাহীন পথ এটা! বিরোধী প্রার্থীদের ঘুষ দিয়ে কিংবা ইডি-সিবিআইয়ের ভয় দেখিয়ে জয় কিনে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটা অত্যন্ত লজ্জার বিষয় যে এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন চুপ করে আছে।” সব মিলিয়ে ১৫ জানুয়ারি ২৯টি পুর নির্বাচনের ভোটগ্রহণের আগেই সরগরম মুম্বইয়ের স্থানীয় রাজনৈতিক তরজা।