• বাংলাদেশে পরপর হিন্দু খুন নিয়ে মোদী-জয়শঙ্কর চুপ কেন? প্রশ্ন তুলল তৃণমূল
    আজ তক | ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
  • শুরুটা হয়েছিল দীপু চন্দ্র দাসকে দিয়ে। খুন করে জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছিল বাংলাদেশের এই হিন্দু বাসিন্দাকে। শনিবার ফের এক মৃত্যু হল একই পদ্ধতিতে। ২ দিন আগেই খোকন চন্দ্র দাস নামে অপর এক হিন্দুকে বাংলাদেশে গায়ে পেট্রল ঢেলে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। মৃত্যুর সংখ্যা পাঞ্জা লড়ছিলেন তিনি। তবে, শেষ পর্যন্ত হার মানলেন। নৃশংস অত্যাচারে এই হিন্দু বাংলাদেশির মৃত্যুর খবরে স্তম্ভিত ভারত। এই নিয়ে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিবৃতি দাবি করল তৃণমূল। 

    বাংলাদেশে এই নিয়ে সাম্প্রতিক কয়েকদিনের মধ্যে খুন হওয়া চতুর্থ হিন্দু ব্যক্তি খোকন চন্দ্র দাস। শনিবার দুপুরে এই খবর আসতেই কড়া পোস্ট তৃণমূল কংগ্রেসের। তাঁদের বক্তব্য, 'প্রতিবেশী বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবসান এবং লাগাতার হিংসার ঘটনা দেখে আমরা স্তম্ভিত এবং উদ্বিগ্ন। দীপু চন্দ্র দাসকে নৃশংস ভাবে খুন করার পর এবং শরিয়তপুরের এক মধ্যবয়স্ক ব্যবসায়ীর উপর ভয়ঙ্কর হামলা করা হল। পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হল তাঁকে। পরবর্তীতে ঢাকার ন্যাশনাল বার্ন ইনস্টিটিউটে তাঁর মৃত্যুর খবর নাড়িয়ে দিয়েছে সকলকে।' 

    তৃণমূলের প্রশ্ন, 'যে কোনও জিওপলিটিক্যাল পরিস্থিতিতে আমরা কেন্দ্রের পাশে দাঁড়িয়েছি। কিন্তু মানবজাতির উপর এই ধরনের নৃশংসতার পরও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের চুপ থাকার কোনও ব্যাখ্যা আমরা পাচ্ছি না। কী দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শুরু করা হয়েছে? যাঁদের উপর হামলা হচ্ছে বা হয়েছে, তাঁদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য কী চাপ দেওয়া হয়েছে? কেন্দ্র এই নিয়ে অদ্ভূত ভাবে নিষ্ক্রীয়। আর এদিকে, স্থানীয় BJP নেতারা এই ধরনের ঘটনায় সুড়সুড়ি দিয়ে সাম্প্রদায়িকতার আগুন ছড়াতে চাইছে। পশ্চিমবঙ্গে ধর্মের রাজনীতি করে সাম্প্রদায়িক মনোভাব তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। এ জিনিস মেনে নেওয়া যায় না।' 

     
  • Link to this news (আজ তক)