স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, বর্তমানে টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে ১০৪ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁদের মধ্যে রয়েছে অনেক শিশুও। ইতিমধ্যেই জেলাশাসকের সঙ্গে তিনবার ফোনে কথা বলেছেন শাহ। শীঘ্রই তিনি একটি পর্যালোচনা বৈঠক করবেন বলেও জানা গিয়েছে।
রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাঙ্ঘভি জানিয়েছেন, গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্য ডেপুটি কালেক্টর-সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, রোগীদের পরিবারের জন্য সব রকম সুযোগ-সুবিধারও ব্যবস্থা করা হয়েছে। আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য ইতিমধ্যেই ২২ জন চিকিৎসকের একটি দল গঠন করা হয়েছে।
সিভিল হাসপাতালের মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট ডঃ মিতা পারিখ বলেন, “গান্ধীনগরের আদিভাদা এলাকার পাশাপাশি ২৪, ২৫, ২৬ এবং ২৮ নম্বর সেক্টরের শিশু-সহ বেশ কয়েকজন চিকিৎসাধীন। তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল।” তিনি জানিয়েছেন, এই এলাকাগুলি থেকে জলের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ওই এলাকাগুলির জল পানের জন্য নিরাপদ নয়।