• কলকাতায় যৌন লালসার শিকার শিশুকন্যা
    আজকাল | ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: খাস কলকাতায় ধর্ষণের শিকার তিন বছরের এক শিশুকন্যা। অভিযোগ উঠেছে শিশুকন্যার পরিচিত এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে নির্যাতিতা শিশুকন্যা। তদন্ত শুরু করেছে শিয়ালদহ জিআরপি। 

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে বেলেঘাটায় চাউল পট্টি রেল ব্রিজে ধারে। ওই এলাকারই বাসিন্দা নির্যাতিতা শিশুকন্যা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় রেল লাইনের ধারের বসতির ওই শিশুকন্যা খেলাধুলা করছিল। সেই সময় ওই এলাকারই বাসিন্দা এক মধ্যবয়স্ক ব্যক্তি শিশুকন্যাকে তুলে নিয়ে রেল লাইনের ধারে নির্জন এলাকায় চলে যান। কিছুক্ষণ পরেই শিশুকন্যার কান্নার আওয়াজ শুনতে পান কয়েকজন। 

    শিশুকন্যার চিৎকার শুনেই এলাকায় ছুটে আসেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। তাঁদের দেখেই অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুকন্যাকে বিপজ্জনকভাবে রেল লাইনের ধারে ফেলে রেখে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থলে পৌঁছেই সকলে দেখেন, শিশুকন্যার যৌনাঙ্গ থেকে রক্তপাত হচ্ছে। তড়িঘড়ি করে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান সকলে। 

    রাতেই বেলেঘাটা থানার দ্বারস্থ হয় শিশুর পরিবার। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে শিয়ালদহ জিআরপি-র হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পকসো ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। আজ রবিবার শিয়ালদহ আদালতে পেশ করা হবে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে। 

    গত অক্টোবরে কলকাতায় আরও এক ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছিল। গার্ডেনরিচ থানা এলাকায় এক নয় বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। বাবার অফিসে নাবালিকার একা থাকার সুযোগে তার উপর পাশবিক অত্যাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ভয়াবহ এই ঘটনার পর অভিযুক্ত পলাতক। তাঁকে ধরতে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় পকসো ধারায় অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিতার বাবা।

    পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৭(২)/৭৫(২)/৩৫১(২) ধারা এবং পকসো আইনের ৮ নং ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। 

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছিল, রবিবার বাবার সঙ্গে তাঁর কাজের জায়গায় গিয়েছিল ছোট্ট ফুটফুটে মেয়েটি। সেখানেই শৌচাগারে যায় সে। বেরিয়ে আসার পথে ফাঁকা জায়গা ও একা থাকার সুযোগে মেয়েটির উপর বাবার এক সহকর্মী পাশবিক অত্যাচার চালায় বলে অভিযোগ। এমনকী যৌন হেনস্থার কথা সকলকে জানালে পরিনাম ভাল হবে না বলেও হুমকি দেন। 

    জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের নাম ইমতিয়াজ আলম। তিনি নির্যাতিতার বাবার অফিসের ম্যানেজার। থানায় অভিযোগ দায়েরের পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত ইমতিয়াজ আলম। নাবালিকাকে চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। তবে, নয় বছরের মেয়েটি সুস্থ রয়েছে বলেই পুলিশ জানিয়েছিল। এছাড়াও তারা জানায়, অপরাধীকে খুঁজে বের করে বিচারের মাধ্যেম দ্রুত শাস্তি দেওয়া হবে।
  • Link to this news (আজকাল)