• রাজ্য পুলিশ নয়, তদন্তে CBI, শাহজাহান মামলার সাক্ষীকে খুনের চেষ্টায় ধৃতকে হেফাজতে নিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা
    প্রতিদিন | ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  শেখ শাহজাহান মামলায় অন্যতম সাক্ষী ভোলা ঘোষকে খুনের চেষ্টায় ধৃত আব্দুল আলিম মোল্লাকে নিজেদের হেফাজতে নিল সিবিআই। গত মাসে ন্যাজাটে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনার মধ্যে পড়ে ভোলা ঘোষের গাড়ির। লরির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ভোলা ঘোষের ছেলে ও চালকের। প্রশ্ন ওঠে, ষড়যন্ত্র করেই ভোলানাথকে খুনের চেষ্টা করা হচ্ছিল? সেই ঘটনায় মুল অভিযুক্ত লরির চালক আলিম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপরেই তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে বসিরহাট আদালতের দ্বারস্থ হয় সিবিআই। জানা গিয়েছে, সিবিআইয়ের আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত।

    কিন্তু হঠাৎ আলিম মোল্লাকে কেন নিজেদের হেফাজতে নিতে চায় সিবিআই? কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২০২৪ সালে রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশিতে যান ইডি আধিকারিকরা। সেই সময় তদন্তকারী আধিকারিকদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। শাহজাহানের অনুগামীদের হাতে আক্রান্ত হতে হয় তদন্তকারীদের। আদালতের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। সেই মামলায় একাধিকবার আলিম মোল্লাকে তলব করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পাঠানো হয় নোটিশও। কিন্তু সিবিআইয়ের ডাকে ধৃত আলিম মোল্লা সাড়া দেননি বলে অভিযোগ।

    সিবিআইয়ের দাবি, আলিম মোল্লা শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ। ইডির উপর হামলায় সরাসরি যুক্ত ছিল সে। এই বিষয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করতেই আলিম মোল্লাকে নিজেদের হেফাজতে সিবিআই নিল বলেই মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে ভোলানাথ ঘোষকে খুনের চেষ্টার যে অভিযোগ সামনে আসছে, তার অন্যতম ষড়যন্ত্রী আলিম মোল্লা ছিলেন বলেও মনে করছেন তদন্তকারীরা। বলে রাখা প্রয়োজন, সন্দেশখালির ত্রাস শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে সিবিআই যে মামলা করেছে, সেই মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ছিলেন ভোলানাথ ঘোষ। ডিসেম্বর মাসে একটি কাজে আদালতে যাচ্ছিলেন তিনি। ভোলানাথের সঙ্গেই গাড়িতে ছিলেন ছোটো ছেলে ও চালক। ন্যাজোটের বয়ারমারি পেট্রোল পাম্পের সামনে একটি ট্রাকের সঙ্গে ভোলানাথ ঘোষের গাড়ির একেবারে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ভোলা ঘোষের ছেলে ও চালকের। ঘটনার তদন্তে নেমে শাহজাহান ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 
  • Link to this news (প্রতিদিন)