• অফিসের আবর্জনা রাস্তায়, ১০৬ প্রতিষ্ঠানকে নোটিস শিলিগুড়ি পুরসভার
    এই সময় | ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
  • এই সময়, শিলিগুড়ি: পুর আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাতে রাস্তায় ফেলা হচ্ছে আবর্জনা। অভিযোগ পেয়ে শহরের ১০৬ প্রতিষ্ঠানকে নোটিস ধরাল শিলিগুড়ি পুরসভার জঞ্জাল অপসারণ বিভাগ। সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পে বাড়ির পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করেন পুরকর্মীরা। এমনকী, পৃথক ভাবে নার্সিংহোম ও সরকারি হাসপাতাল থেকে মেডিক্যাল ওয়েস্ট সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত আবর্জনা পুরসভার ডাম্পিং গ্রাউন্ডে নিয়ে গিয়ে প্রক্রিয়া করা হয়।

    অভিযোগ, পুরসভার শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখার উদ্যোগে জল ঢালছে কিছু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। রাতে দোকান বন্ধ করার আগে তাঁরা রাস্তার উপরে আবর্জনা জমা করে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। ফল ভুগতে হচ্ছে প্রাতঃভ্রমণকারীদের। এই ব্যাপারে লাগাতার অভিযোগ পেয়ে পুরসভা অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলিকে নোটিস ধরাল। শিলিগুড়ি পুরসভার বিরোধী দলনেতা অমিত জৈন অবশ্য এত সামান্য পদক্ষেপে সন্তুষ্ট নন। তিনি চান, পুরসভা এই ব্যাপারে নিয়মভঙ্গকারীকে শাস্তির ব্যবস্থা করুক। তিনি বলেন, 'শহরজুড়েই এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

    পুরকর্মীরা সকালে আবর্জনা সাফ করার পরে সেখানে কিছু লোক ফের আবর্জনা ফেলে চলে যাচ্ছেন।' সমস্যাটি নিয়ে একমত পুরসভার জঞ্জাল অপসারণ বিভাগের মেয়র পারিষদ মানিক দে। তিনি বলেন, 'বাই ল' নিয়ে আমরাও চিন্তাভাবনা করছি। কেন না, রাস্তায় আবর্জনা ফেলে যাওয়ার এই প্রবণতা শহরের কিছু হোটেল এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে। ১০৬ জনকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।'

    করেন ২৯ পুরসভার মাসিক বোর্ড সভায় ইঁদুরের উৎপাত নিয়ে অভিযোগ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শরদিন্দু চক্রবর্তী। তিনি বলেন, 'নিকাশি নালাগুলিতে ইঁদুরের উৎপাত বাড়ছে। নিকাশি নালা ভেঙে পড়ছে। বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করে ইঁদুরের উৎপাত ঠেকাতে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।' জঞ্জাল অপসারণ বিভাগের মেয়র পারিষদ বলেন, 'নালায় খাবার পেলে ইঁদুর আসবেই। এ ক্ষেত্রে সচেতনতা বাড়ানো ছাড়া উপায় নেই।'

  • Link to this news (এই সময়)