• 'NOC নেয়নি রাজ্য সরকার...', মুখ্যমন্ত্রীর গঙ্গাসাগর সেতুকে 'ধাপ্পাবাজি' কটাক্ষ শুভেন্দুর
    আজ তক | ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
  • সোমবার মুড়িগঙ্গার উপরে গঙ্গাসাগর সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী জানান, কাকদ্বীপের আট নম্বর লট থেকে কচুবেড়িয়াকে যুক্ত করবে গঙ্গাসাগর সেতু। নয়া সেতুর ফলে সাগরদ্বীপে ব্যবসার সুবিধা হবে। কর্মসংস্থান বাড়বে। জিনিসপত্রের দাম কমে যাবে। স্থানীয় কৃষিজাত পণ্যে কম খরচেই আনা যাবে। পর্যটনের বহর বাড়বে। দ্রুত ত্রাণ পৌঁছানো যাবে বলেও আশাপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইসঙ্গে বিরোধীদের খোঁচা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে 'শুধু মুখে বলি না, কাজ করি।' এদিকে পাল্টা গঙ্গাসাগর সেতুকে মুখ্যমন্ত্রীর ধাপ্পাবাজি বলে কটাক্ষ করেছেন বিরোধী  দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

    গঙ্গাসাগর সেতু তৈরির প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা বলেন, রাজ্য সরকারএনওসির জন্য প্রসেস করেনি, কোনও সয়েল টেস্ট হয়নি। কোনও কাগজে টেন্ডার নোটিফিকেশন দেওয়া হয়নি। মিথ্যাচার, ধাপ্পাবাজি করা হচ্ছে। জায়গাটি জাতীয় জলপথের আওতায়। বিজেপি সরকার রাজ্যে এলে এখানে রামেশ্বরমের মতো সেতু তৈরি করা হবে। 

    এদিন নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে মতুয়াদের মধ্যে যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে, তার নেপথ্যে ভোট-রাজনীতি রয়েছে, এই অভিযোগ তুলে ব্যাখ্যাও দেন শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম থেকে মতুয়া সমাজকে ভোট ব্যাঙ্কের চোখে দেখেছেন। ২০১৯ সাল থেকে লাগাতর চেষ্টা চলছে। মতুয়া ঠাকুরবাড়িতেও রাজনৈতিক বিভাজন ঘটিয়েছেন, এই সম্প্রদায়কে দুর্বল করার চেষ্টা দেখেছি। ঠাকুরবাড়ির মধ্যে মমতাবালা ঠাকুরকে ব্যবহার করা হচ্ছে।

    ফের হিন্দু প্রতিমা ভাংচুরের অভিযোগেও সরব হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদলের গড়কমলপুর  দেবী সরস্বতীর একাধিক মূর্তি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার এই অভিযোগ তুলে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সরব হয়েছেন।

    শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, রবিবার গভীর রাতে স্থানীয় কারিগরদের তৈরি একাধিক সরস্বতী প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে। আগামী ২৩ জানুয়ারি সরস্বতী পুজো। তাঁর অভিযোগ,তার ঠিক আগে এই ধরনের ঘটনা বারবার ভাঙচুরের ঘটনায় প্রতিমাশিল্পীরা বড়সড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। বিরোধী দলনেতা আরও দাবি করেন, এর আগেও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তাঁর অভিযোগ, দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে পুলিশ প্রশাসন ব্যর্থ হওয়ায় এই ধরনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। শুভেন্দু অধিকারী এই ধরণের ঘটনাকে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণ বলে উল্লেখ করে রাজ্য সরকারের নীতির কড়া সমালোচনা করেন।
     
  • Link to this news (আজ তক)