• ‘প্রচুর সোনা রয়েছে তাঁর কাছে...’, এই ধারণা থেকেই এক ব্যক্তিকে অপহরণ, বানচাল করল পুলিশ
    এই সময় | ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
  • জম্মুর সোনার দোকানে কাজ করা কারিগরের কাছে প্রচুর সোনা থাকার ধারণা থেকে অপহরণের চেষ্টা দুষ্কৃতীদের। কিন্তু জেলা পুলিশের তৎপরতায় বানচাল সেই পরিকল্পনা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের বড়সড় সাফল্য। অপহরণের আগেই অপহরণকারীদের গ্রেপ্তার করল পুলিশ। সোমবার সাংবাদিক বৈঠক করে জানালেন পুলিশ সুপার মিতুনকুমার দে।

    জানা গিয়েছে, রবিবার খড়্গপুর- হাওড়া জাতীয় সড়কে সিদ্ধা এলাকায় সৌমেন পাত্র নামে এক সোনার দোকানের কারিগরকে আট জন দুষ্কৃতী একটি গাড়িতে তুলে অপহরণ করেন। খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ পাঁশকুড়া থানার পুলিশ দ্রুত জেলা পুলিশ সুপারকে বিষয়টি জানায়। জেলা পুলিশ সুপার মিতুনকুমার দে ঘটনার নাকা চেকিং করার নির্দেশ দেন।

    পাঁশকুড়া থানার পুলিশের সহযোগিতায় তমলুক থানার পুলিশ নাকা চেকিং শুরু করে। তাতেই জালে দুষ্কৃতীরা। তমলুকের নিমতৌড়িতে অপহৃত ব্যক্তি-সহ দুষ্কৃতীদের গাড়িটিকে আটক করে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় অপহরণকারীদের। পরে ওই দুষ্কৃতীদের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে যে, সৌমেন পাত্রের কাছে অনেক সোনা রয়েছে, এই খবর পেয়ে তাঁকে অপহরণ করেছিল। সৌমেন পাত্র পেশায় কারিগর। তিনি জম্মুর সোনার দোকানে কাজ করতেন এবং সেই দোকান থেকে প্রচুর সোনা চুরি করে বাংলায় ফিরেছেন বলে দাবি দুষ্কৃতীদের। সেই সোনা হাতাতেই সৌমেন পাত্রকে অপহরণের চেষ্টা করে তারা।

    অপহরণ করে পূর্ব বর্ধমানের খন্ডঘোষে ওই ব্যক্তিকে নিয়ে যাবার চেষ্টা করে ওই দুষ্কৃতীরা। সোমবার দুষ্কৃতীদের তমলুক জেলা আদালতে তোলা হয়। পুলিশ সাত দিনের রিমান্ডে চেয়েছে তাদের।

    জানা গিয়েছে, অপহরণ হওয়া সোনার দোকানের কারিগর সৌমেন পাত্রর বাড়ি ডেবরা। এ দিন পুলিশ সুপার মিতুনকুমার দে সাংবাদিক বৈঠকে বলেন,‘তমলুক ও পাঁশকুড়া থানার যৌথ চেষ্টায় অপহরণকারীদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। তাদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্তের প্রক্রিয়া চলবে।’

  • Link to this news (এই সময়)