• এসআইআর নিয়ে রাজ্যে এনআরসির আতঙ্ক সৃষ্টি করছে বিজেপি: ঋতব্রত
    বর্তমান | ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদদাতা, ঘাটাল: এসআইআরের মাধ্যমে রাজ্যে এনআরসির আতঙ্ক সৃষ্টি করছে বিজেপি। এমনটাই বললেন তৃণমূল নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দাসপুর বিধানসভার কলাইকুণ্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত জনসভায় তিনি বলেন, ভুসোকালি বেশি করে সংগ্রহ করে রাখুন। ২০২৬সালে ফের তৃণমূল ক্ষমতায় আসবে। তখন যারা তৃণমূলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছিল, তাদের মুখে ভুসোকালি মাখিয়ে দেবেন।

    এদিনের সভায় শুরু থেকেই বিজেপিকে নিশানা করেন ঋতব্রত। কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতি ও এসআইআর নিয়ে তিনি গেরুয়া শিবিরের কড়া সমালোচনা করেন। এসআইআর প্রসঙ্গে বলেন, এটা মানুষকে নাগরিকত্ব নিয়ে ভয় দেখানোর নতুন কৌশল। ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বিজেপি সাধারণ মানুষের নাম বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। এসআইআরের মাধ্যমে রাজ্যে এনআরসি’র আতঙ্ক সৃষ্টি করছে তারা। এমন পরিস্থিতির কারণে আতঙ্কে অনেকে মারাও গিয়েছেন। জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়েও ঋতব্রত সুর চড়ান। তিনি বলেন, কেন্দ্রের নতুন শিক্ষানীতি আসলে শিক্ষার গৈরিকীকরণ ছাড়া কিছু নয়। পাঠক্রম পাল্টে ইতিহাসের বিকৃতি ও মনীষীদের অবদান ছোট করার চেষ্টা করছে তারা। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের শিক্ষার জন্য বরাদ্দ টাকা আটকে রেখে বাংলার ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। শনিবার ওই মাঠে বিজেপির ‘বিজয় সংকল্প সভা’ হয়। সেখানে গেরুয়া শিবিরের রাজ্য নেতা কালীপদ সেনগুপ্ত বলেছিলেন, ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা নেওয়া মহিলাদের যেন ভোট দিতে না দেওয়া হয়। তাঁদের রুমে তালাবন্দি করে রেখে দিন। ভোট দিতে হলে বিজেপিকে দিতে হবে।’ সোমবার ওই মন্তব্যের প্রতিবাদে সরব হন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি। তিনি বলেন, এসব তালিবানি ফতোয়া। বাংলার মহিলারা এসব কথায় কান দেবেন না। তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলার উন্নয়ন দেখেছেন।সুকান্ত মজুমদারের ‘বাঁশের মাথায় পেরেক’ লাগানোর মন্তব্যের জবাবে অজিতবাবু বলেন, বাঁশ আর পেরেক দিয়ে মানুষের মন জয় করা যায় না। উন্নয়নের মাধ্যমেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। বিজেপি যদি ভেবে থাকে, তারা বাঁশ আর পেরেক দিয়ে বাংলার মানুষকে ভয় দেখাবে-তবে তারা ভুল ভাবছে।-নিজস্ব চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)