গঙ্গাসাগরে ২৫০ টাকায় সরকারি গেস্টহাউস, কীভাবে বুকিং জানুন
আজ তক | ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
শুরু হতে চলেছে গঙ্গাসাগর মেলা। আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। ১৪ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তি। দূর দূরান্ত থেকে যাচ্ছেন পুণ্যার্থীরা। ভিড় জমিয়েছেন সাধুসন্তরা। কলকাতার বাবুঘাটে রাস্তার পাশে সারি সারি তাঁবু তৈরি হয়েছে। আখড়াগুলোতে ভিড় জমিয়েছেন তাঁরা। মকর সংক্রান্তির আগে বা পরে যারা গঙ্গাসাগরে পুণ্য স্নানে যেতে চাইলে কোথায় থাকবেন ভাবছেন? খুব কম খরচে হোটেল, ডরমিটরি, আশ্রম পেয়ে যাবেন। জেনে নিন বিস্তারিত।
গঙ্গাসাগরে গিয়ে কোথায় থাকবেন?
গঙ্গাসাগর মেলায় তিল ধারনের জায়গা থাকে না। এই সময়ে যে কোনও হোটেল, রুমের ভাড়ার দাম তিনগুণ হয়ে যায়। তাই জেনে নিন কম খরচে কোথায় থাকতে পারেন।
গঙ্গাসাগরে থাকার আশ্রম
গঙ্গাসাগরে কপিলমুনি শাঙ্খযোগ আশ্রম বা কপিল কুঠি। এখানে মেলার সময় ৫০০ টাকায় রুম পাবেন। অন্য সময় ২৫০ টাকায় রুম পাওয়া যায়। রয়েছে স্বর্গ আশ্রম। ৮০০ টাকা থেকে ভাড়া শুরু। রয়েছে ভারত সেবা আশ্রম। মেলার সময় এখানে থাকার কোনও খরচ নেই। অনুদান দিয়ে থাকা যেতে পারে। এখানে ওঙ্কার নাথ পান্থ নিবাস রয়েছে। সেখানেও ঘর নিতে পারেন। কপিলমুনি ধরমশালায় একটা রাত থাকতে পারেন। এখানে মেঝেতে তোশক পেতে শোওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। রুমের খরচ সামান্য। রাধাকৃষ্ণ সেবা আশ্রম রয়েছে। এখানে থাকতে পারেন।
সরকারি গেস্ট হাউস
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুব হোস্টেল রয়েছে। অনলাইনে রুম বুক করতে পারেন। youthhostelbooking.gov.in-এ গিয়ে রুম বুক করতে পারেন। এখানে কটেজ, ডরমিটরি, ডবল বেডের ব্যবস্থা রয়েছে। কটেজের দাম ২ হাজার টাকা, ডরমিটরি ২২৫ টাকা করে। ডবল বেড পাবেন ৮০০-৯০০ টাকার মধ্যে।
এছাড়া, পূর্ত বিভাগের অধীনে রয়েছে সাগর বলাকা গেস্ট হাউস। এখানেও রুম বুক করতে পারেন।
তবে মেলার সময় ভাড়া বাড়তে পারে। এখনও বুকিং না করে থাকলে আর দেরি নয়।
আশ্রমে থাকতে হলে নিজেরা বালিশ, কম্বল, বিছানার চাদর নিয়ে আসবেন। আশ্রমে এগুলির ব্যবস্থা থাকে না।