SIR-এ মহারাজদের নাম বাদ গিয়েছে? মমতার দাবি খারিজ করে দিল ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ
আজ তক | ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের মহারাজ সহ একাধিক সাধুসন্তের নাম বাদ গিয়েছে স্পেশাল ইন্টেনশিভ রিভিশন (SIR)-এ। মঙ্গলবারই গঙ্গাসাগরে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই প্রসঙ্গে এ বার প্রতিক্রিয়া দিল ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ। মমতা যে কড়া ভাষায় কমিশনকে নিশানা করলেন SIR-এ সাধুসন্তদের নাম বাদ যাওয়া নিয়ে, ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ কিন্তু তেমন উদ্বেগ প্রকাশ করল না। তাঁদের দাবি, এটি স্বাভাবিক প্রশাসনিক কাজ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের মহারাজের নাম বাদ গিয়েছে: মমতা
মঙ্গলবার গঙ্গাসাগরে SIR-এ শুনানিতে হয়রানি ও নাম বাদ যাওয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে মমতা বলেন, 'ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের মহারাজ, তাঁর নামটাও কেটে দিয়েছে। অনেক মহারাজের নাম কেটেছে। সাধুসন্তদেরও নাম বাদ গিয়েছে। এটা অন্যায় হচ্ছে মানুষের সঙ্গে।'
স্বাভাবিক প্রশাসনিক কাজ হিসেবেই দেখছে সঙ্ঘ
এরপরেই প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ। সঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক স্বামী বিশ্বাত্মানন্দ মহারাজের বক্তব্য, SIR প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কয়েকজন সন্ন্যাসীর কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে ঠিকই, কিন্তু এটাকে তাঁরা একেবারেই স্বাভাবিক প্রশাসনিক কাজ হিসেবেই দেখছেন। প্রয়োজনীয় নথি তাঁরা জমা দেবেন। তাঁর কথায়, 'এতে কোনও সমস্যা নেই। সন্ন্যাসীদের শুনানির নোটিস দেওয়া হয়েছে, এই কথার মানে এই নয় যে তাঁদের নাম ইচ্ছাকৃতভাবে বা স্থায়ীভাবে ভোটার তালিকা থেকে কেটে দেওয়া হয়েছে। পুরো বিষয়টাই ভুলভাবে বোঝা হচ্ছে।'
SIR বিরোধিতায় মমতা
SIR ইস্যুকে হাতিয়ার করে প্রায় প্রতিদিনই কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার তুলে ধরছেন এসআইআর শুনানিতে হয়রানি ও মৃত্যুর ইস্যু। ইতিমধ্যেই তিনি ঘোষণা করেছেন, SIR প্রক্রিয়ায় যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের নামে প্রতিটি বুথ এলাকায় শহিদ বেদী তৈরি করা হবে। বারবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিচ্ছেন। মমতার দাবি, ভোটের আগে তাড়াহুড়ো করে এসআইআর প্রক্রিয়া করে বিজেপি-কে সুবিধা পাওয়ানোর চেষ্টা করছে কমিশন। অমিত শাহদের নির্দেশেই কমিশন তড়িঘড়ি ভোটের আগে বাংলায় SIR করাচ্ছে। অবিলম্বে এই প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবি করছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক বা ইআরও-দের অনুমতি ছাড়াই কমিশনের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা (আইটি সিস্টেম)-র অপব্যবহার করে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে।