তমন্নার পরিবার জানিয়েছে, বহুবার এসপির কাছে পিপি অর্থাৎ সরকারি আইনজীবী বদলের আর্জি জানিয়েছেন তিনি। তাতে কোনও লাভ হয়নি। তাই এবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে সমস্যার কথা জানাতে চান। তমন্নার মা বলেন, ‘আমি এসপি-র কাছে বার বার আবেদন জানিয়েছি, পিপি পরিবর্তনের জন্য। কিন্তু এখনও কোনও কাজ হয়নি।’
২০২৫ সালের ২৩ জুন, কালীগঞ্জ উপনির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিন দুপুরে বোমার আঘাতে মৃত্যু হয় মোলান্দি গ্রামের ১১ বছরের নাবালিকা তামান্না খাতুনের। এই ঘটনায় রাজ্য-রাজনীতিতে তোলপাড় পড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে কঠোরতম শাস্তির জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন। পুলিশও দ্রুততার সঙ্গে পদক্ষেপ করে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বোমাবাজির ঘটনায় অভিযুক্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ওই মামলায় আদালতে চার্জশিট পেশ করেছে পুলিশ। তবে তমন্নার মা তথা পরিবারের দাবি, ‘প্রকৃত দোষীরা’ এখনও অধরা। পরিবারের দাবি, মেয়ের বিচার না-পাওয়ার হতাশায় এবং মানসিক যন্ত্রণায় অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে নিজেকে শেষ করতে চেয়েছিলেন সাবিনা। বুধবার সাবিনা বিবি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। তাঁর আর্জি, মুখ্যমন্ত্রী একবার তাঁর সঙ্গে কথা বলুন। পরিবারের আশঙ্কা, জামিনে ছাড়া পেলে অভিযুক্তরা আবার হুমকি বা আক্রমণ করতে পারে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর তমন্নার মা বলেন, ‘বিচার না-পাওয়া পর্যন্ত লড়াই করব।’