২০১১ সালের ৭ জানুয়ারির ঘটনা। ঝাড়গ্রামের নেতাইয়ে ৯ জন গ্রামবাসীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। গুরুতর আহত হন বহু গ্রামবাসী। ওই বছর ১০ জানুয়ারি হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। তৎকালীন বার অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি সুখেন্দুশেখর রায় ও সহ সম্পাদক সঞ্জয় বর্ধন নেতাই গণহত্যার প্রতিবাদে সিবিআই তদন্ত ও মৃত পরিবারের সদস্য ও আহতদের আর্থিক সাহায্যের দাবিতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন।
১৮ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি জয়নারায়ণ পাটেল ও অসীমকুমার রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়। মৃতদের পরিবারকে ২ লাখ টাকা ও গুরুতর আহতদের ১ লাখ ও কম গুরুতর আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্যের নির্দেশ দেয়। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় তৎকালীন বাম সরকার। দেশের সর্বোচ্চ আদালত হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে। ২০১১ সালের জুলাই মাসে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল কংগ্রেস। ক্ষমতায় এসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মৃতদের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা ও গুরুতর আহতদের আর্থিক সাহায্য করেন।