• SIR-এ বেছে বেছে নাম বাদ! খোদ শান্তনুর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির কাছে দরবার আতঙ্কিত মতুয়াদের
    প্রতিদিন | ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
  • সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: এসআইআর আতঙ্কে এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ মতুয়াদের একাংশ। বুধবার সকালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে যান তাঁরা। রাষ্ট্রপতির হাতে তুলে দেন তাঁদের অভিযোগ পত্র। সেখানেই অভিযোগ করা হয়েছে, বেছে বেছে এসআইআরে মতুয়াদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে। পাশাপাশি মতুয়াদের ভবিষ্যৎ, মতুয়াদের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক উন্নয়ন-সহ বেশ কিছু বিষয়ের উল্লেখও করা হয়েছে সেই চিঠিতে।

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বঙ্গে এসআইআর (SIR in Bengal) শুরু রাজনৈতিক চক্রান্ত বলেই বারবার দাবি করেছে শাসকদল তৃণমূল। এনিয়ে কম তর্কবিতর্ক হয়নি। ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়ে আতঙ্কে ছিলেন মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষজন। যদিও বিজেপির তরফে তাঁদের বারবার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, যে চিন্তার কোনও কারণ নেই। মতুয়া মহাসংঘের এক সংঘাতিপতি শান্তনু ঠাকুরের নেতৃত্বে মতুয়া (Matua) কার্ডও বিলি করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হতে দেখা যায়, বহু মতুয়াদের নাম তাতে নেই। এরপরই সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বলেন, “ভোটার তালিকা থেকে ৫০ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিমের নাম যদি বাদ যায়। সেখানে ১ লক্ষ আমাদের লোক (মতুয়া) যদি বাদ যায়, তাহলে আমাদের এটুকু সহ্য করতে হবে, সহ্য করে নেওয়া উচিত।”

    শান্তনু ঠাকুরের এই মন্তব্য মোটেই ভালোভাবে নেয়নি মতুয়ারা। গাইঘাটার ঠাকুরবাড়িতে প্রতিবাদ সভার ডাক দিয়েছিলেন অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহা সংঘের আরেক সংঘাধিপতি তথা তৃণমূল সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। তা নিয়ে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এসবের মাঝেই কলকাতা সফরে এসে সেই ভয়ের অবসান ঘটান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাতেও যে মতুয়ারা সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিন্ত হয়েছে তা নয়। তাই বুধে শান্তনু ঠাকুরকে সঙ্গে নিয়েই রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হন মতুয়ারা।
  • Link to this news (প্রতিদিন)