সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কুকুরের মন বোঝা মানুষের পক্ষে কখনই সম্ভব নয়, কখন প্রাণীটি কামড়াবে কিংবা কামড়াবে না! অতএব, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়াই ভালো। শুধু কামড়ানো নয়, পথকুকুরের কারণে দুর্ঘটনাও ঘটে থাকে। পথকুকুর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে বুধবার এমনটাই বলল সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি বিচারপতিদের প্রশ্ন, কুকুর খাঁচাবন্দি হলে খারাপ লাগলে মুরগি-খাসির ক্ষেত্রে কী মত পশুপ্রেমীদের?
বুধবার বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা এবং বিচারপতি এনভি অঞ্জরিয়ার বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে। এক সময় বিচারপতিদের বেঞ্চ মন্তব্য করে, “রাস্তাঘাট পরিষ্কার এবং কুকুরমুক্ত রাখতে হবে। কুকুররা হয়তো কামড়াবে না, কিন্তু দুর্ঘটনাও ঘটে। রাস্তায়, স্কুলে এবং প্রাতিষ্ঠানিক এলাকায় কুকুরের প্রয়োজন কীসের?” পালটা পশুপ্রেমীদের আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, “যদি কোনও কুকুর দুরন্ত বা অবাধ্য হয়ে যায়, তাকে নির্বীজকরণ কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। তার পরে আবার ছেড়ে দেওয়া হোক।”
এই বিষয়ে বিচারপতি মেহতার পর্যবেক্ষণ, “এরপর তো কুকুরদের কাউন্সেলিংও করা যেতে পারে, যাতে তারা কাউকে না কামড়ায়।” এর সঙ্গে বিচারপতি নাথ যোগ করেন, কখন কোন কুকুর কেমন আচরণ করবে, তা আগে থেকে কীভাবে বোঝা সম্ভব! বিভিন্ন আবাসনের বাসিন্দাদের হয়ে সওয়াল করা আইনজীবী অভীষ্টকুসুম গুপ্ত সাফ জানান, শিশুদের নিরাপত্তার জন্য কুকুরদের আবাসন থেকে বার করে দেওয়া উচিত। কুকুরদের খাঁচাবন্দি করা নিয়ে সিব্বল আপত্তি জানালে বিচারপতি মেহতা প্রশ্ন করেন, মুরগি-ছাগলদের ক্ষেত্রে কী মত? উত্তরে সিব্বল জানান, তিনি মুরগির মাংস খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। আগামিকাল বৃহস্পতিবার ফের এই মামলার শুনানি হবে শীর্ষ আদালতে।