• শান্তিপুরে সরস্বতীর মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনায় ধর্মীয় যোগ নেই, দাবি করল পুলিশ
    আজ তক | ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
  • নদিয়ার শান্তিপুরে প্রচুর সংখ্যক দেব-দেবী মূর্তি ভাঙার ঘটনায় অবশেষে বিবৃতি দিল পুলিশ। মূর্তি ভাঙা যে হয়েছে, একথা মেনে নিয়েও পুলিশের দাবি, ঘটনায় কোনও ধর্মীয় বা রাজনৈতিক যোগ নেই। যদিও এদিন সকালেই বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গে এই ঘটনাটি হিন্দু বিদ্বেষের সাম্প্রতিক উদাহরণ। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ছবি পোস্ট করে রাজ্য সরকারকে আক্রমণও করেছিলেন BJP নেতা অমিত মালব্য। তবে এবার পুলিশ সেই দাবি উড়িয়ে দিল।

    ঘটনা কী ঘটেছিল?

    মঙ্গলবার রাতে নদিয়ায় শান্তিপুর থানা এলাকার সর্বা নন্দী পাড়ায় একটি লোকনাথ মন্দিরের সামনে এক মৃৎশিল্পীর ওয়ার্কশপে তাণ্ডব চালায় দুই দুষ্কৃতী। গভীর রাতে প্রায় ৬০-৭০টি দেব-দেবীর মূর্তি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। জানা যায়, যে দেবী মূর্তিগুলি ভাঙচুর করা হয়েছে, তার বেশিরভাগই ছিল সরস্বতী ও কালীমূর্তি।

    ঘটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগ জমা পড়তেই তদন্তে নামে শান্তিপুর থানা। ঘটনাস্থলের একটি সিসিটিভি ফুটেজ খুঁটিয়ে দেখলে ধরা পড়ে, অমিত দাস ও তাঁর ভাই অসিত দাস নামে দুই ভাই এই ঘটনায় যুক্ত রয়েছে। মৃৎশিল্পী জয়ন্ত দাসও পুলিশের কাছে দাবি করেন, অমিত দাস নামে অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে  আগের দিনই তাঁর ওয়ার্কশপে ঝামেলা-কথা কাটাকাটি হয়েছে। ফলে দুইয়ে দুইয়ে মিলে যায় ঘটনাটি।

    পুলিশ কী জানাচ্ছে?

    রানাঘাট পুলিশ জেলার অতিরিক্ত সুপার লাল্টু হালদার এই ঘটনা প্রসঙ্গে জানান, "এই ঘটনায় কোনও  ধর্মীয় বা রাজনৈতিক যোগ নেই।" তিনি জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আগেও মদ্যপ অবস্থায় এলাকায় নানা ধরনের কাণ্ড ঘটানোর অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার রাতের আগে অভিযুক্তদের সঙ্গে  মৃৎশিল্পী জয়ন্ত দাসের ঝামেলা হয়েছিল। সেই রাগ থেকেই মদ্যপ অবস্থায় এসে ওয়ার্কশপ ভাঙচুর করেছে অভিযুক্তরা। দুই অভিযুক্তের খোঁজেই তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

     
  • Link to this news (আজ তক)