ডোমজুড়ে সরকারি অফিসে তৃণমূলের বনভোজন! ছবি ভাইরাল হতেই তুঙ্গে রাজনৈতিক বিতর্ক
প্রতিদিন | ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
অরিজিৎ গুপ্ত, হাওড়া: ডোমজুড়ের দক্ষিণ ঝাঁপড়দহে রাজ্য সরকারের একটি জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের অফিসের চত্বরে বনভোজনকে কেন্দ্র করে তৈরি হল জোর রাজনৈতিক তরজা। বিজেপি অভিযোগ করে, গত রবিবার ওই সরকারি অফিস চত্বরে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব বেআইনিভাবে বনভোজন করে। তৃণমূল অবশ্য বিজেপির এই অভিযোগ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তাদের দাবি, ওখানে গ্রামবাসীরাই বনভোজনের আয়োজন করেছিল। ওটা তৃণমূলের বনভোজন নয়। তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্বকে গ্রামবাসীরা ওই বনভোজনে নিমন্ত্রণ করেছিল বলে তাঁরা সেখানে গিয়েছিলেন। আর সরকারি দপ্তরে খাওয়াদাওয়া হয়নি। সরকারি দপ্তরের একটি ঘরে খাবারদাবার রাখা হয়েছিল। ওখানে গ্রামবাসীরা মাঝে মাঝেই বনভোজন করেন।
প্রসঙ্গত, ডোমজুড়ের সরকারি দপ্তর চত্বরে বনভোজনের ছবি বুধবার সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। আর এই ছবি ভাইরাল হতেই ভোটের মুখে শুরু হয় রাজনৈতিক তরজা। বিজেপির বক্তব্য, গত রবিবার ডোমজুড়ের দক্ষিণ ঝাঁপড়দহ কেশবপুর রংপাড়ায় এসআইআর বিরোধী একটি মিছিলের আয়োজন করে তৃণমূল। এরপরই মিছিলে যাঁরা গিয়েছিলেন তাঁদের জন্য দেদার খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা করা হয় জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের অধীনে জল সরবরাহের অফিসে। সোশাল মিডিয়ায় ছবিতে দেখা যায়, ওই অফিসের মধ্যে বক্স বাজছে। থরে থরে খাবারদাবার সাজানো আছে।
ওই এলাকার স্থানীয় বিজেপি নেতা সুরজিৎ মণ্ডল অভিযোগ করেন, ‘‘তৃণমূল বেআইনিভাবে সরকারি অফিসে বনভোজনের আয়োজন করে। এভাবে ভোটের আগে তৃণমূল দলীয় কর্মীদের নিয়ে মোচ্ছব করে সাধারণ মানুষকে বোকা বানাতে চাইছে।’’ যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। ডোমজুড় ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ জয়দীপ বর্মন বলেন, ‘‘ওই সরকারি অফিসের ঘরে রান্নার পর খাবারদাবার রাখা হয়েছিল। বাইরে টেবিল-চেয়ার পেতে খাওয়ানো হয়। আর ওটা গ্রামবাসীদের বনভোজন ছিল। ওটা তৃণমূলের কিছু ছিল না।’’