বর্ধমানে বালিবোঝাই ডাম্পার ও ট্রাক্টর বাজেয়াপ্ত, ধৃত এক
বর্তমান | ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
সংবাদদাতা, বর্ধমান: বালিবোঝাই একটি ডাম্পার ও ট্রাক্টর বাজেয়াপ্ত করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। ট্রাক্টরের চালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ডাম্পারের চালক পলাতক। ধৃতের নাম আকাশ চৌধুরী ওরফে মুনু। তার বাড়ি বর্ধমান থানার সদরঘাট চাষিমানা এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার ভোরে ডাম্পার ও ট্রাক্টরটি বর্ধমানের দিক থেকে আরামবাগের দিকে যাচ্ছিল। বর্ধমান-আরামবাগ রোড ধরে যাওয়ার সময় সদরঘাট ইডেন ক্যানেলের কাছে পুলিশ ডাম্পার ও ট্রাক্টরটিকে থামায়। পুলিশের গাড়ির কিছুটা আগে চালক ডাম্পারটি থামিয়ে পালায়। ডাম্পার ও ট্রাক্টরটি পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে। বালির বৈধ কোনও কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ট্রাক্টরের চালককে গ্রেপ্তার করা হয়। দামোদর থেকে অবৈধভাবে বালি নিয়ে তা চড়া দামে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে ধৃতকে জেরা করে জেনেছে পুলিশ। এদিনই বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হলে ধৃতের দু’দিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।
দেওয়ানদিঘিতে ডাম্পার ও ট্রাক্টর বাজেয়াপ্ত, ধৃত ২: দেওয়ানদিঘি থানার পুলিশ একটি ডাম্পার ও ট্রাক্টর বাজেয়াপ্ত করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার সকালে বর্ধমান-কাটোয়া রোড ধরে ডাম্পারটি আসছিল। দেওয়ানদিঘি থানা এলাকার একটি ওয়েব্রিজের কাছে ডাম্পারটিকে আটকানো হয়। বালির কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ডাম্পার চালক হারাধন মল্লিককে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বাড়ি খণ্ডঘোষ থানার কমলপুরে।
পাশাপাশি, এদিন সকালে হলদি-৬ মাইল রোড ধরে আসার সময় ট্রাক্টরটিকে ধরা হয়। বালিপাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে ট্রাক্টরের চালক সাহিদ মল্লিককে দেওয়ানদিঘি থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তার বাড়ি গলসি থানার ভুড়ি গ্রামে। চালক বালি সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখাতে না পারায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। বালিবোঝাই ট্রাক্টরটি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। ধৃত দু’জনকে এদিনই বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে বৃহস্পতিবার তাদের ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দেন সিজেএম।