• ভিন রাজ্যে পাচারের আগে উদ্ধার দুই বাংলাদেশি তরুণী, গ্রেপ্তার দুই
    বর্তমান | ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ও হাওড়া: বাংলাদেশ থেকে তরুণীদের নিয়ে এসকর্ট গার্ল হিসেবে কাজে লাগানোর অভিযোগ। বিমানবন্দর ও হাওড়া স্টেশন এলাকা থেকে দুই তরুণীকে মঙ্গলবার রাতে উদ্ধার করেছে সিআইডি। গ্রেপ্তার করা হয়েছে চিন্ময় দাস ও জাকির হোসেন নামে দুজনকে। দুই অভিযুক্ত বাংলাদেশ থেকে তরুণীদের নিয়ে এসে ভিন রাজ্যে পাঠাত। উদ্ধার হওয়া তরুণীদের হায়দরাবাদ ও মুম্বই পাঠানো হচ্ছিল বলে ধৃতরা জেরায় জানিয়েছে। 

    সিআইডির কাছে খবর আসে, বাংলাদেশ থেকে দুই তরুণীকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছে। এরমধ্যে একজন যাবে মুম্বই অন্যজন হায়দরাবাদ। সীমান্ত লাগায়ো এলাকার বাসিন্দা দুই দালাল তাঁদের নিয়ে এসে এখানে রেখেছে। দু’জনের ভুয়ো ভারতীয় নথি তৈরি হয়ে গিয়েছে। অন্য রাজ্যের হোটেলে এসকর্ট গার্লের কাজ করতে পাঠানো হচ্ছিল। অফিসাররা জানতে পারেন, একজনকে বিমানে করে নিয়ে যাওয়া হবে। অন্যজনকে হাওড়া থেকে ট্রেনে নিয়ে যাবে দালাল চক্র। তার ভিত্তিতে দুই জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে দুই তরুণী ও দালালদের ধরা হয়। হাওড়ায় ওই তরুণীকে নিয়ে এসে অভিযুক্ত চিন্ময় কাউকে ফোন করতে গেলে তাকে আটক করা হয়। বিমানবন্দরে থাকা টিম এয়ারপোর্টে ঢোকার সময় আটক করে জাকিরকে। জানা যায় চিন্ময়ের বাড়ি বনগাঁয় আর জাকির থাকে স্বরূপনগর এলাকায়। ধৃত চিন্ময় দাস জেরায় জানিয়েছে, বনগাঁ সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা আফজল সীমান্ত পেরিয়ে তরুণীদের নিয়ে এসে তার হাতে তুলে দিত। জাকিরের সহযোগী হিসেবে এক মিডলম্যানের নাম পাওয়া গিয়েছে। তদন্তে উঠে আসছে, চার থেকে পাঁচ হাত ঘুরে এই তরুণীদের পাঠানো হচ্ছে ভিন রাজ্যে। এর পিছনে আন্তর্জাতিক নারী পাচার চক্রের পান্ডারা রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে তাদের নিয়ে আসার পর এসকর্ট গার্ল হিসাবে কাজ করাচ্ছে চক্রের পান্ডারা। বুধবার ধৃত চিন্ময়কে হাওড়া আদালতে তোলা হয়। সরকারি কৌঁসুলি তারাগতি ঘটক বলেন, নেটওয়ার্কের হদিশ পেতে ধৃতকে জেরা করা প্রয়োজন। একটা বড়ো চক্র রয়েছে।  
  • Link to this news (বর্তমান)