অভিষেকের সভায় বিধানসভা ভিত্তিক ১০ হাজার কর্মী নিয়ে যাওয়ার টার্গেট
বর্তমান | ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
শ্যামলেন্দু গোস্বামী, বারাসত: ১৯ জানুয়ারি বারাসতের কাছারি মাঠে সভা করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই কর্মসূচিকে সফল করতে ময়দানে নেমে পড়েছে তৃণমূলের বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা। প্রতি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ১০ হাজার কর্মী-সমর্থককে নিয়ে যাওয়ার টার্গেট নিয়েছে তারা। তার মধ্যে সিংহভাগই প্রমীলা। কারণ মহিলারাই তৃণমূলের ভোটব্যাংকের বড়ো অংশ।
এসআইআর ইস্যুতে রাজ্যজুড়ে গর্জে উঠেছে তৃণমূল। অল্প সময়ের মধ্যে এত বড় একটি প্রক্রিয়া শেষ করাকে ‘রাজনৈতিক ইস্যু’ বলছে জোড়াফুল শিবির। সেই মতো মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা নিয়ে রাজ্যজুড়ে দলীয় কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মূলত সংগঠনকে একটু ঝাঁকুনি দিতেই এই ভাবনা শীর্ষ নেতৃত্বের। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি জেলায় এই কর্মসূচি হয়ে গিয়েছে। আগামী কাল ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে পুজো দিতে আসছেন অভিষেক। আর ১৯ জানুয়ারি বারাসতের কাছারি ময়দানে সভা করবে তৃণমূলের যুবরাজ। সেই সভায় রেকর্ড জমায়েত করতে বারাসতের পাশাপাশি দলের বসিরহাট সাংগঠনিক জেলাও প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রকে জমায়েতের টার্গেট বেঁধে দিয়েছে তৃণমূলের বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা। বলা হয়েছে, প্রতিটি কেন্দ্র থেকে অন্তত ১০ হাজার লোক আনতে হবে। তার মধ্যে মহিলার সংখ্যাই যেন সিংহভাগ হয়। তবে হিঙ্গলগঞ্জ ও সন্দেশখালির ক্ষেত্রে দূরত্বের কথা ভেবে কম টার্গেট দেওয়া হয়েছে। সেইমতো বসিরহাট মহকুমায় বাস, গাড়ি বুকিং হয়ে গিয়েছে। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য বারাসত শহরের শেষপ্রান্ত কাজিপাড়াকে বাছাই করা হয়েছে। এখানে গাড়ি রেখে কর্মীরা মিছিল করে সভাস্থলে যাবেন। কী কী করণীয়, প্রতিটি প্রস্তুতি সভাতেই তা কর্মীদের বুঝিয়ে দিচ্ছেন সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বুরহানুল মোকাদ্দিম, বারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিক সহ স্থানীয় বিধায়করা। এ বিষয়ে বুরহানুল মুকাদ্দিম বলেন, ৬০ হাজারের বেশি কর্মী-সমর্থক নিয়ে আমরা বারাসতে যাবে। তার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কর্মীদের যে উৎসাহ নজরে এসেছে, তাতে মনে হয় আমাদের লক্ষ্যমাত্রা সহজেই ছাপিয়ে যাবে। কর্মীদের ওইদিন বেলা ১২টার মধ্যে পৌঁছানোর কথা বলা হয়েছে। সর্বত্র পোস্টার, হোর্ডিং লাগানো হচ্ছে। সঙ্গে ছোট ছোট সভাও করা হচ্ছে। আমাদের নেতা যে বার্তা দেবেন, তা স্থানীয়স্তরে পৌঁছে দেওয়াই দলীয় কর্মীদের লক্ষ্য।