• কুকুর-বিড়ালের অবাধ বিচরণ বারাসত মেডিকেলে, অসন্তোষ
    বর্তমান | ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: ঝা চকেচকে হচ্ছে মেডিকেল কলেজ। আগের থেকে বেড়েছে রোগীর সংখ্যা। কিন্তু, বারাসত মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রায়ই ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় কুকুর-বিড়ালকে। এমনকী হাসপাতাল চত্বরে ঘুরে বেড়ায় গোরুও। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মেডিকেল কলেজের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এনিয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে।

    বারাসত হাসপাতাল উন্নীত হয়েছে মেডিকেল কলেজে। বেড়েছে রোগীর সংখ্যাও। রোজ মানুষের লম্বা ভিড় থাকে। কিন্তু হাসপাতালে সংক্রামক ওয়ার্ড, মেডিসিন বিভাগ সহ নানা ওয়ার্ডে দেখা যায় বিড়াল। তাড়িয়ে দিলে কিছুক্ষণের জন্য পালিয়ে যায় তারা। তারপরে আবার ফিরে আসে। হাসপাতালের রান্নাঘরের আশপাশেও ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় তাদের। বিড়াল তাড়াতে গিয়ে কেউ কেউ আঁচড়-কামড়ও খেয়েছেন। শুধু বিড়াল নয়, হাসপাতালে কুকুরের সংখ্যাও বেড়েছে। হাসপাতালে ইমার্জেন্সি ওয়ার্ডের সামনে প্রায়ই ঘোরাফেরা করে কুকুর। অনেক সময় আবার হাসপাতালের ভিতরেই ঘুমিয়ে পড়ে তারা। তাই ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয় রোগীর পরিজনদের। হঠাৎ করেই কুকুরগুলি চিৎকার শুরু করে। ফলে ঝুঁকি থেকে যায় চিকিৎসার ক্ষেত্রেও।

    এক রোগীর আত্মীয় সুভাষ পাল বুধবার বারাসত হাসপাতালের ইমার্জেন্সির সামনে দাঁড়িয়ে বললেন, বিড়ালের অবাধ আনাগোনা অনেকের কাছে গা-সওয়া হয়ে গিয়েছে। ওয়ার্ডের সামনে গেলে দেখবেন, কুকুরও অবাধে বিচরণ করছে। কর্তৃপক্ষের উচিত ব্যবস্থা নেওয়া। এদিনই আউটডোরের সামনে রোদে দাঁড়িয়েছিলেন গুমার বাসিন্দা সুকুমার চক্রবর্তী। 

    তাঁর কথায়, কুকুরের সংখ্যা নেহাত কম নয় এই হাসপাতালে। এক কোণে ঘুমিয়ে থাকা কুকুরের গায়ে অসাবধানে পা পড়ে গেলে তারা খেপে ওঠে। হাসপাতালে নিশ্চিন্তে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় গোরুর দলকেও। তারা ভ্যাট থেকে আবর্জনা টেনে এনে চত্বর নোংরা করে বলেও অভিযোগ। রোগীর পরিজনেরা নানা সময়ে গোরুর গুঁতো খাওয়ার অভিযোগও তুলেছেন। এনিয়ে এমএসভিপি অভিজিৎ সাহা বলেন, আমরা বারাসত পুরসভাকে লিখিত দিয়েছি। বিষয়টি পুরসভা দেখবে।-নিজস্ব  চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)