অধিকাংশ হিন্দু পরিবারে একজন করে মহিলা। অন্যদিকে অধিকাংশ মুসলমান পরিবারে একাধিক মহিলা থাকায় সরকারি প্রকল্পে পরিবার পিছু ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পাচ্ছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে 'মুসলমান ভাণ্ডার' বলে কটাক্ষ করলেন বাঁকুড়ার ওন্দার বিজেপি বিধায়ক অমরনাথ শাখা।
মঙ্গলবার বিকালে বাঁকুড়ার ইন্দাস ব্লকের বামনিয়া হাটতলা ময়দানে পরিবর্তন সংকল্প সভা করে বিজেপি। সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা রাহুল সিনহা। এই সভায় বক্তব্য রাখতে উঠে বাঁকুড়ার ওন্দার বিজেপি বিধায়ক অমরনাথ শাখা বলেন- অধিকাংশ হিন্দু পরিবারে একজন করে মহিলা। স্বাভাবিকভাবে সেই পরিবারগুলি মাসিক এক হাজার টাকা পাচ্ছে। অন্যদিকে অধিকাংশ মুসলমান পরিবারে একাধিক মহিলা থাকায় ওই সরকারি প্রকল্পে পরিবারপিছু ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পাচ্ছে।
বিধায়কের দাবি সমাজের বিশেষ একটি সম্প্রদায়কে তোষণ করতেই এই প্রকল্প। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির উদাহরণ টেনে বিধায়কের দাবি এ রাজ্যে সরকার বদল হলে ওই প্রকল্পের নাম অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার করে প্রকৃত উপভোক্তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, 'মাসে মাসে বাড়ির মহিলারা যে এক হাজার টাকা হাতে পাচ্ছেন তা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নয়, তা আসলে মুসলমান ভাণ্ডার।'
প্রকাশ্য সভামঞ্চে বিজেপি বিধায়কের এমন মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে তৃণমূল। তৃণমূলের দাবি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জনপ্রিয়তায় ভয় পাচ্ছে বিজেপি। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া নারীশক্তি বিজেপিকে রাজ্য ছাড়া করবে। (রিপোর্টার- নির্ভীক চৌধুরী)