• দিল্লিতে দিঘার জগন্নাথধামের ভোগ, FSSAI-র অনুমোদন পাওয়া সময়ের অপেক্ষা!
    প্রতিদিন | ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
  • রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: দিল্লিতে FSSAI-র কেন্দ্রীয় দপ্তরে পাঠানো হল দিঘার জগন্নাথধামের ভোগের নমুনা। মাসখানেকের মধ্যেই দিঘা জগন্নাথধামের ভোগ প্রসাদ পেতে চলেছে FSSAI-র অনুমোদিত ভোগ (ব্লিসফুল হাইজেনিক অফারিং টু গড) শংসাপত্র। বুধবার দিঘার জগন্নাথধাম থেকে যাবতীয় রিপোর্ট সংগ্রহ করা হয়। নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্যজেলার খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকের উপস্থিতিতে এবং FSSAI-র দুই সদস্যের উপস্থিতিতে জগন্নাথধামের রান্না করা ভোগের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়। চূড়ান্ত পর্বের অডিটের মাধ্যমে যাবতীয় তথ্য জমা পড়বে দিল্লিতে। তারপর পাওয়া যাবে শংসাপত্র।

    গত ডিসেম্বর থেকে দিঘার জগন্নাথধামে ভক্তদের বসে ভোগ খাওয়ার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। রোজ কয়েকশো মানুষ কুপন কেটে জগন্নাথদেবের ভোগ প্রসাদ গ্রহণ করছেন মন্দিরেই। আগামী দিনে আরও বিপুল মানুষকে যাতে এই ভোগ দেওয়া যায় তার প্রস্তুতিও ইতিমধ্যে শুরু করে দিয়েছে জগন্নাথধাম কর্তৃপক্ষ। তবে জগন্নাথধামের এই ভোগ কতটা স্বাস্থ্যসম্মতভাবে তৈরি তা নিয়ে মাসখানেক আগেই খাদ্যসুরক্ষা দপ্তরের তরফ থেকে প্রি অডিট করা হয়। সেখানে রাঁধুনিদের হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দেন খাদ্যসুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। রান্নার সময় যাতে সমস্ত সুরক্ষাবিধি মানা হয় সে ব্যাপারেও জোর দেন আধিকারিকরা। এরপর বুধবার চূড়ান্ত অডিট করা হয়। সেই অডিটে উপস্থিত ছিলেন নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্যজেলার খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক বিশ্বজিৎ মান্না ও FSSAI-র দুই সদস্যের টিম।

    তাঁরা সকলেই বিভিন্ন পদ রান্নার বিষয় খতিয়ে দেখেন। রান্নার জন্য কোন জল ব্যবহার করা হচ্ছে এবং রান্নার সময় রাঁধুনিরা সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মানছেন কিনা তা খতিয়ে দেখা হয়। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে ফাইনাল রিপোর্ট পর্ব। এই রিপোর্ট জমা পড়বে দিল্লিতে। রিপোর্ট পর্যবেক্ষণের পরেই দিঘা জগন্নাথধামকে দেওয়া হবে ভোগের শংসাপত্র। নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্যজেলার খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক বিশ্বজিৎ মান্না বলেন, “জগন্নাথধামের ভোগের ফাইনাল অডিট করা হল। আগামী দিনে যাতে ভক্তরা এই ভোগ প্রসাদ খেয়ে অসুস্থ না হয়ে পড়েন সেই জন্য কতটা স্বাস্থ্যসম্মতভাবে তৈরি করা হচ্ছে তা বিশেষভাবে খতিয়ে দেখা হয়। সমস্ত রিপোর্ট দিল্লিতে FSSAI-র কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা পড়বে।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)