• ১০ মাস আগে খুন, তদন্তে নেমে উদ্ধার কঙ্কাল
    বর্তমান | ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
  • কানপুর: বছর তিনেক আগে স্বামীকে হারিয়েছিলেন রেশমা। তারপর থেকে পড়শি গোরেলালের সঙ্গে প্রণয় শুরু। শেষমেশ সাত সন্তানকে ছেড়ে ফের সংসার করার স্বপ্ন নিয়ে ঘর ছাড়েন। সেই থেকে সন্তানদের সঙ্গে আর কোনও সম্পর্কই ছিল না ৪৫ বছরের ওই মহিলার। বেশ কয়েক বছরের ব্যবধান। শেষে কানপুরের টিকওয়াপুর গ্রামের পরিত্যক্ত এক জঙ্গলে সাত ফুট মাটির নীচে মিলল রেশমার কঙ্কাল। উত্তরপ্রদেশে ১০ মাস পুরানো এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু এক নিখোঁজ ডায়েরি থেকে। অভিযুক্ত গোরেলালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি খুনের কথা স্বীকার করেছেন। তিনিই পুলিশকে জানিয়েছেন, অন্তত ১০ মাস আগে খুনের ঘটনা ঘটে। রেশমা তাঁকে বিয়ে করতে চেয়েছিল। কিন্তু তিনি চাননি। এমনকী যাতে রেশমা সন্তানদের কাছেই ফিরে যান, সে জন্য চাপও দিতে থাকেন। তা নিয়ে প্রায়শই দু’জনের ঝগড়া হতো। একদিন সেই ঝগড়া চলাকালীনই রেশমাকে গলা টিপে খুন করে গোরেলাল। তারপর দু’দিন সেই দেহ ঘরেই রেখেছিল। পরে সুযোগ বুঝে তা গ্রামেরই একটি পরিত্যক্ত এলাকায় পুঁতে দেয়। 

    বুধবার দেহ উদ্ধারের পর হাড়গোড় ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ডিএনএ পরীক্ষাও করা হবে। অন্যদিকে রেশমার গয়না দেখে সেই দেহ চিহ্নিত করেছে তাঁর পরিজন। ডিসিপি দীপেন্দ্রনাথ চৌধুরী বলেন, রেশমার ছেলে বাবলু ২৯ নভেম্বর একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পুলিশ জানিয়েছে, বাবলুর অভিযোগ এই খুনে আরও দু’জন যুক্ত রয়েছে। সে ব্যাপারে ধৃত গোরেলালকে জেরা করা হচ্ছে।
  • Link to this news (বর্তমান)