নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: একাধিক তদন্তে সাফল্য পেল আমডাঙা থানা। তার মধ্যে রয়েছে সাইবার প্রতারণায় খোয়া যাওয়া লক্ষাধিক টাকা উদ্ধার করা। পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফেরানো হয়েছে ছিনতাই হওয়া সোনার চেন। এছাড়া ফেরানো হয়েছে হারানো মোবাইলও। পুলিশের এই ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সকলেই।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকমাস ধরে আমডাঙা থানায় সাইবার প্রতারণার চারটি অভিযোগ দায়ের হয়। একটি ক্ষেত্রে মহিনুর আলি মণ্ডল নামে এক ব্যক্তিকে বিদেশে পাঠানোর নাম করে প্রতারণা করা হয়। খোয়া যায় তাঁর এক লক্ষ ১০ হাজার টাকা। ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে নুরুল হাসান নামে এক ব্যক্তির ৫০ হাজার টাকা চোট করা হয়। এছাড়া মিজানুর মিস্ত্রিকে টাওয়ার বসানোর নামে দু’লক্ষ টাকার প্রতারণা করা হয়। অন্যদিকে, গোলাম আকবর নামে আরেক ব্যক্তিকে ইলেকট্রিক বিল দিয়ে দেওয়ার নামে ৭৬ হাজার টাকা প্রতারণা করা হয়। প্রত্যেকেই আমডাঙা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ চারটি পৃথক মামলায় মোট তিন লক্ষ ২৮ হাজার ৬২৪ টাকা উদ্ধার করেছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এবং ব্যাংক ট্রানজ্যাকশন ট্র্যাক করে এই টাকা উদ্ধার করতে পেরেছে পুলিশ। এই চার মামলাতে বেশ কয়েকজনকে পুলিশ গ্রেপ্তারও করেছে।
এদিকে, বেঙ্গালুরু থেকে দুষ্কৃতীদের একটি গ্যাং ঘাঁটি তৈরি করেছে হুগলির ব্যান্ডেলে। তাঁরা মূলত বিভিন্ন মেলা ও উৎসবে গিয়ে ছিনতাই করে। আমডাঙার করুণাময়ী বার্ষিক পুজোর মেলা থেকে তারা এক মহিলার হার ছিনতাই করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কণিকা হালদার নামে কলকাতার বেহালার বাসিন্দা ৪ জানুয়ারি এনিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন থানায়। অভিযোগ ছিল, তাঁর ১২ গ্রাম ওজনের সোনার হার ছিনতাই হয়েছে। তদন্ত নেমে ৫ জানুয়ারিই অভিযুক্ত চরণ রাজকে হুগলি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকেই উদ্ধার হয় ওই সোনার হার। তাঁকে জেরা করে চক্রটিক একাধিকজনের নাম পুলিশের হাতে এসেছে।
এছাড়া আমডাঙার এক ব্যক্তি ক’দিন আগে একটি মোবাইল হারান। পুলিশ সেই মোবাইলও উদ্ধার করেছে। বৃহস্পতিবার প্রত্যেককে হারানো সামগ্রী ও প্রতারণার টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হয়।-নিজস্ব চিত্র