এই সময়: কালিয়াগঞ্জে এক ছাত্রীকে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় রাজ্যের তদন্তেই পরিবারের ভরসা রয়েছে এবং অন্য কোনও তদন্তের প্রয়োজন নেই বলে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে দাবি করলেন রাজ্যের আইনজীবী। রাজ্যের আইনজীবীর এই দাবি লিখিত ভাবে হলফনামার আকারে আদালতে দু'সপ্তাহের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ।
২০২৩-এর এপ্রিলে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ-খুনের অভিযোগ ওঠে পড়শি গ্রামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। কালিয়াগঞ্জ থানার সাহেবঘাটা সংলগ্ন পালোইবাড়ি এলাকার ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গিয়ে অভিযুক্ত যুবক একটি পুকুরের ধারে ধর্ষণ ও খুন করে বলে অভিযোগ। ওই ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়।
বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চ অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসারদের নিয়ে সিট গঠনের নির্দেশ দেয়। সেই রায় চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানায় রাজ্য। রাজ্যের যুক্তি, অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসাররা এমন ঘটনার তদন্ত করতে পারেন না। এ দিন ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্যের দাবি, মৃত তরুণীর মা রাজ্য পুলিশের তদন্তেই ভরসা রেখেছেন।