অয়ন ঘোষাল: কনকনে ঠান্ডা কিছুটা কমলেও শীতের স্পেল বজায় থাকবে। জমিয়ে শীতের মরশুম। আরও ৪-৫ দিন এইরকম জমিয়ে শীতের সম্ভাবনা। বেশ কিছু জেলায় সকালের দিকে বেশ কিছুটা সময় কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ। শীতল দিনের পরিস্থিতি বিভিন্ন জেলাতে।
ঘূর্ণাবর্ত:
দক্ষিণ-পূর্ব এবং সংলগ্ন ভারত মহাসাগরের ওপর নিম্নচাপ অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি ক্রমশ দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর কোনও সরাসরি প্রভাব নেই বাংলায়। ত্রিপুরা এবং সংলগ্ন বাংলাদেশের উপর রয়েছে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত।
দক্ষিণবঙ্গ:
দক্ষিণবঙ্গে শীতল দিনের পরিস্থিতি আর কোথাও থাকছে না। কারণ সময় গড়ালেই রোদ ঝলমলে আকাশ দেখা যাবে গোটা দক্ষিণবঙ্গে। হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়ায় কনকনে ঠান্ডা বাতাসের স্রোত বইতে থাকায় ফিল লাইক টেম্পারেচার অনেক কম অনুভূত হবে।
ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা
হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা গোটা বাংলায়। তার মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের সাত জেলায় ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলাতে ঘন কুয়াশায় দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারের কাছাকাছি নেমে আসতে পারে।
উত্তরবঙ্গে
উত্তরবঙ্গে দিনভর শীতের অনুভূতি অনেকটাই বেশি থাকবে। কনকনে ঠান্ডার অনুভূতি। উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ফিল লাইক টেম্পারেচার অনেকটা কম অনুভূত হবে। উত্তরবঙ্গের চার জেলায় ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা। উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলাতে ঘন কুয়াশায় দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারের কাছাকাছি নেমে আসতে পারে। ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে।
কলকাতা:
বাড়ল কলকাতার তাপমাত্রা। প্রায় ৬ দিন পর ১২ ডিগ্রির ঘরে উঠল কলকাতার রাতের পারদ। আগামী পাঁচ থেকে সাত দিন তাপমাত্রার বড়সড় পরিবর্তন নেই। ১০ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে কলকাতার পারদ। দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচেই থাকবে। সকালের দিকে কুয়াশা বাড়বে। সকালের দিকে কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশে ফিল লাইক টেম্পারেচার কমবে। বেলা বাড়লে আকাশ পরিস্কার। মূলত শুষ্ক আবহাওয়া। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।
কলকাতার তাপমাত্রা:
কলকাতায় রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.৬ থেকে বেড়ে ১২.১ ডিগ্রি। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২.০ থেকে কমে ২১.৯ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৪১ থেকে ৯৪ শতাংশ।
ভিন রাজ্যে:
অতি গভীর নিম্নচাপের জেরে তামিলনাডু, পন্ডিচেরি এবং কড়াইকালে প্রবল বৃষ্টির আশঙ্কা। শৈত্য প্রবাহের সর্তকতা রাজধানী দিল্লি, পঞ্জাব, চন্ডিগড়, হরিয়ানা । ছত্তীসগঢ়, মধ্যপ্রদেশ, হিমাচল প্রদেশ, ঝাড়খন্ড এবং রাজস্থানেও শৈত্য প্রবাহের সর্তকতা।