নতুন দল গঠনের পরে ফুরফুরা শরিফে গিয়ে ব্রিগেডের সভা ও ‘বাবরি মসজিদ’ তৈরির দিন ঘোষণা করলেন জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। শুক্রবার ফুরফুরা শরিফে গিয়ে সেখানকার পীরজাদার সঙ্গেও দেখা করেন তিনি। তৃণমূলকে দুর্নীতিগ্রস্ত বলে আক্রমণও শানালেন। সংবাদ মাধ্যমের সামনে আর কী কী বললেন বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা?
শুক্রবার সকালে ফুরফুরা শরিফ থেকে ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘আমি কাউকে ভয় পাই না। আমাকে কেউ ভয় পাক, সেটাও চাই না। যে সব রাজনৈতিক দল চায় অত্যাচারী, দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল সরকারের পতন হোক, তারা আমাকে ডাকলে আমি তাদের কাছে যাব, তারা আমার কাছে এলে আমার কোনও সমস্যা নেই।’ তবে কি BJP-র সঙ্গে হাত মেলাবেন? এ বিষয়ে হুমায়ুন বলেন, ‘BJP-কে হারানোর জন্যই দল গড়েছেন। তাই তাদের সঙ্গে জোট বাঁধার কোনও প্রশ্নই নেই।' বাম-কংগ্রেস জোটের সঙ্গে কি তবে জোট বাঁধবেন হুমায়ুন? এই প্রশ্নের উত্তরে বিধায়ক বলেন, ‘এখনই বলব না। ব্রিগেডের ময়দানে দেখা যাবে।’
ব্রিগেডের জনসভা সম্পর্কে তিনি জানান, ‘১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার কলকাতায় ব্রিগেডের ময়দানে জনসভার আয়োজন করা হচ্ছে।’ এ বিষয়ে আলোচনার জন্য ডিফেন্স অফিসার তাঁকে মঙ্গলবার দেখা করতে বলেছেন বলে জানান হুমায়ুন। সমস্ত কাগজপত্র জমা করা হয়েছে। জনসভার জন্য কোনও সমস্যা ছাড়াই অনুমতি পেয়ে যাবেন বলে আশা করছেন বিধায়ক।
কত মানুষের জমায়েত হতে পারে ব্রিগেডে? এই প্রশ্নের উত্তরে হুমায়ুনের বক্তব্য, ‘আমার টার্গেট ১০ লক্ষ। তবে কত মানুষ আসবেন তা আমি গুনতে পারব না।’ এই প্রসঙ্গেই হুমায়ুন জানিয়েছেন, ব্রিগেডের সভায় থাকতে পারে বড় চমক।
কবে থেকে শুরু হবে ‘বাবরি মসজিদ’-এর কাজ? হুমায়ুন বলেন, ‘১০ ফেব্রুয়ারি থেকে মসজিদ তৈরির কাজ শুরু হবে।’ বেঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি সংস্থাকে কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দু’বছরের মধ্যেই মসজিদের কাজ শেষ করা হবে বলে জানিয়েছেন বিধায়ক।
এ বিষয়ে যুব তৃণমূলের শ্রীরামপুর হুগলি সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রী প্রিয়াঙ্কা অধিকারী বলেন, ‘ভোটের আগে BJP-কে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য এমন করা হচ্ছে। BJP বা নওশাদ সিদ্দিকি যার-ই হাত ধরুক, BJP কোনও সুবিধা পাবে না।’