• ‘বাংলাতে ঘেঁচু হবে, কীভাবে ললিপপ ধরাতে হয় জানি’, বিজেপিকে নিশানা মমতার
    প্রতিদিন | ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
  • আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং অফিসে তল্লাশি ইডির। প্রতিবাদে সরব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজপথে নেমে মিছিলে অংশ নেবেন তিনি। যাদবপুর এইট বি বাসস্ট্যান্ডে ভিড় নেতা-কর্মীদের। মিছিল সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যের জন্য নজর রাখুন লাইভ আপডেটে।

    বিকেল ৫.২৮: ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে প্রতিবাদ সভা শেষ করলেন মমতা।
    বিকেল ৫.২৭: “বাংলাতে ঘেঁচু হবে, কীভাবে ললিপপ ধরাতে হয় জানি”, বিজেপিকে নিশানা মমতার।
    বিকেল ৫.২৫: নাম না করে বিজেপিকে মমতার হুঁশিয়ারি, “আপনাদের ভাগ্য ভালো যে আমি চেয়ারে আছি, তাই ওই পেনড্রাইভগুলো এখনও ফাঁস করিনি। অনেক কিছু জানি। বলি না, দেশের স্বার্থে। দেশকে ভালোবাসি বলে।”
    বিকেল ৫.২৩: ছাব্বিশের ভোট নিয়ে মমতার চ্যালেঞ্জ, “ছাব্বিশে আমাদের নয়, তোমাদের পতন হবে। তোমাদের পতন শুরু হয়ে গিয়েছে। দিল্লিতে বিজেপি সরকার থাকবে না, থাকবে না, থাকবে না।”
    বিকেল ৫.২০: বিজেপিকে মমতার হুঙ্কার, “ছিঃ ধিক্কার! বাংলা জিততে এলে ? নাডু নয়, জুটবে ঝাড়়ু। মার ঝাড়ু মার, ঝেটিয়ে বিদেয় কর। ভ্যানিশবাবু ১.৫ কোটি ভোট কাটার ক্ষমতা নিয়ে এসেছেন, সবার নাম কেটে ভোটে বিজেপিকে জেতাতে চান। আমাদের এখানে পুঁতলে দিল্লিতে গিয়ে জন্মাব, দিল্লিতে পুঁতলে এখানে জন্মাব। এটা বাংলার মাটি।”
    বিকেল ৫.১৫: আইপ্যাকের অফিস ও কর্ণধারের বাড়িতে তল্লাশি প্রসঙ্গে মমতা বলেন, “তোমরা তো এসেছো সকাল ৬টায়, আমি গেছি ১২টায়। এতক্ষণে তো সব নিয়ে চলে গেছো। আমি খবরটা শুনে প্রথমে ভেবেছিলাম,এসেছে কিছু জানতে বা দেখতে। তারপর খেয়াল হল, প্রতীককে ফোন করলাম। ওর ফোন বেজে গেল, ফোন ধরল না। তখন আমার মনে হল, আমাদের দলের নথিপত্র নিয়ে চলে যাচ্ছে না তো? তখন আমি তড়িঘড়ি গেলাম।”
    বিকেল ৫.০৭: কয়লা কাণ্ড নিয়ে মমতা বলেন,  “কয়লার টাকা কে খায়, কী করে খায় ? গদ্দারের মাধ্যমে টাকা যায়, এখন সে অ্যাডপটেড সন হয়ে গেছে। জগন্নাথ টু শুভেন্দু টু অমিত শাহ-এই চেনে টাকা যায়।”
    বিকেল ৫.০৬: দিল্লিতে ৮ সাংসদকে হেনস্তা কাণ্ডে মমতার তোপ, “আমাদের এমপিরা দিল্লির কুয়াশায় ভরে প্রতিবাদ করেছে। কোর্ট নিয়ে বলব না। বিচারের বাণী বিচারের কথা বলবে। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি, বিহার-হরিয়ানা জোর করে দখল করেছেন। এখন ভাবছেন বাংলা দখল করবেন। নামটা শুনলেই বাংলা, করে দিচ্ছে হামলা। বাংলা নামটাই সহ্য করতে পারছে না।”
    বিকেল৫.০৫: জ্ঞানেশ কুমারকে ‘ভ্যানিশ’ কুমার কটাক্ষ করে মমতা আরও বলেন, “তুমি একদিন আটকাবে, ১০০ দিন দেখিয়ে দেব। আমাকে একদিন জেলে ভরবে, আমি তোমাকে গোটা পৃথিবীর জেলে ভরব। জিএসটির টাকা তুলে নিয়ে যাও, আমাদের টাকা দাও না, আমাদের দাও। রাস্তার টাকা বন্ধ, জলের টাকা বন্ধ, জীবনের টাকা বন্ধ বসিয়েছে একজনকে, সে কে ? হোম মিনিস্টারের লোক। আপত্তি নেই। ভ্যানিশ কুমার যদি ভোট ভ্যানিশ করে দেয়, তাহলে আপত্তি আছে। আপনি কি ম্যাজিশিয়ান।”
    বিকেল ৪.৫০: মমতার এসআইআর হুঙ্কার, “৯০ বছরের বৃদ্ধকে ডাকছ, লজ্জা করে না! দুকান কাটা দল। পাটি না দোপাটি। আপনারা কেন পদত্যাগ করবেন না। বলছে, বাংলায় রোহিঙ্গা ভর্তি, একটাও খুঁজে পায়নি। রোহিঙ্গা যদি থাকে তাহলে অসমে এসআইআর হল না কেন, ওরা তো বাংলাদেশ থেকে অসম বর্ডার দিয়ে ঢোকে।”
    বিকেল ৪.৪৫: “আঘাত করলে আমার পুনর্জন্ম হয়”, হুঙ্কার মমতার।
    বিকেল ৪.৩০: হাজরা মোড়ে পৌঁছল মিছিল। আর কিছুক্ষণের মধ্যে বক্তব্য রাখবেন মমতা। 
    বিকেল ৪.২৪: কালীঘাটে পৌঁছল মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের প্রতিবাদ মিছিল। যোগ দিলেন কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়।
    দুপুর ৩.৫৫: চারু মার্কেটে পৌঁছল মিছিল।
    দুপুর ৩.৪০: মিছিলের মাঝপথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে ফুল পৌঁছে দিল তিন খুদে।

    দুপুর ৩.২৪: ক্রমশ বাড়ছে জনতার ভিড়। লর্ডস মোড়ে পৌঁছল মিছিল।

    দুপুর ৩.২০: সাউথ সিটি মলের কাছে মমতার মিছিল। রাস্তার দু’পাশে অগণিত মানুষের ভিড়।
    দুপুর ৩.১০: যাদবপুর থানার কাছে পৌঁছল মমতার মিছিল।
    দুপুর ৩.০৪: তারপরই শুরু হয় মিছিল। 

    দুপুর ৩: মিছিল শুরুর আগে মমতা যাদবপুরের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানান। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, “আপনাদের সমর্থন বাংলার মানুষকে বিশ্বের দরবারে এগিয়ে নিয়ে যাবে। দিল্লির লাঞ্ছনা, বঞ্চনা, অত্যাচার, অপমান, অসম্মান। বাংলার মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে রাস্তাই রাস্তা দেখাবে। যাদবপুরের মাটি লড়াইয়ের মাটি।” 
    দুপুর ২.৫৬: মিছিলে শামিল টলিপাড়ার অনেকেই। রয়েছেন সৌমিতৃষা, ভিভান, রণিতা, সুভদ্রা।
    দুপুর ২.৫৩: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে ফিরহাদ-অরূপ। মিছিলে রয়েছেন জুন মালিয়া, সায়নী ঘোষ, দেব, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, সোহম চক্রবর্তী, লাভলি মৈত্র, কাঞ্চন মল্লিক ? সহ একঝাঁক নেতৃত্ব। 

    দুপুর ২.৫০: যাদবপুর এইট বি বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 
  • Link to this news (প্রতিদিন)