• ‘টাকা যায় শুভেন্দু অধিকারীর কাছে’, সরাসরি অভিযোগ মমতার, কী জবাব বিরোধী দলনেতার?
    এই সময় | ১০ জানুয়ারি ২০২৬
  • সাধারণত রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতার নাম ধরে কোনও মন্তব্য করার বিষয়টি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এড়িয়ে চলেন বলে দাবি রাজনৈতিক মহলে। কিছু ক্ষেত্রে নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীকে ‘গদ্দার’ বলে রাজনৈতিক আক্রমণ করেন। শুক্রবার সংযমের বাঁধ ভাঙল মমতার। সরাসরি শুভেন্দু অধিকারীর নাম নিয়ে বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগ করলেন তিনি। পাল্টা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু।

    এ দিনের সভা থেকে মমতার হুঁশিয়ারি, ‘লক্ষণরেখা’ পার হয়ে গেলে তিনি অনেক কিছু তথ্য প্রকাশ্যে আনতে পারেন। কিন্তু রাজনৈতিক সৌজন্য মেনে চলার জন্যেই সেই কাজ থেকে বিরত থেকেছেন। এর পরেই বিরোধী দলনেতার নাম করে একের পর এক অভিযোগ উঠে আসে তাঁর বক্তৃতায়।

    মমতা বলেন, ‘জগন্নাথের মাধ্যমে টাকা যায় শুভেন্দু অধিকারীর কাছে, শুভেন্দু অধিকারীর মাধ্যমে টাকা যায় অমিত শাহের কাছে। শুনুন আপনাদের ভাগ্য ভালো, আমি এখনও চেয়ার আছি বলে ওই পেন ড্রাইভগুলো প্রকাশ্যে আনি না।’ তবে এই একবার নয়, ‘গদ্দার’ বলে উল্লেখ করে আরও কিছু মন্তব্য করেন মমতা। তিনি বলেন, ‘কয়েকটা দালাল জুটেছে ওদের, যাঁদের জেল থেকে ছাড়িয়েছি আমরা, যাঁদের হাসপাতালে থাকার ব্যবস্থা করেছি আমরা, সেই গদ্দারের দল, নেদারল্যান্ডসের হেগ-এ কী করছিলেন…?’ যদিও এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে পরিষ্কার করে কোনও মন্তব্য করেননি তিনি।

    মমতার অভিযোগের পাল্টা রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘উনি একজন প্রতিষ্ঠিত মিথ্যাবাদী। উনি ছ'বছর ধরে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা বলেছেন। একটাও প্রমাণ করতে পারেননি। আজকেরটা আমি সিরিয়াসলি নিয়েছি।’

    এর পরেই মানহানির মামলা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, ‘আইনজীবীর চিঠি পাঠাচ্ছি। মানহানির মামলা করব। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে যাব। আমি স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপিন অধিকারীর পরিবারের ছেলে।… বিপিন অধিকারী ব্রিটিশকে তাড়িয়েছে। আমি নন্দীগ্রামের মানুষকে নিয়ে সিপিএমকে তাড়িয়েছি।...আমি আপনাদের সামনে কথা দিচ্ছি, এই মুখ্যমন্ত্রীকে তাড়াব।’

  • Link to this news (এই সময়)