দলের চেয়ারপার্সন হিসেবে আইপ্যাকের অফিসে গিয়েছি, কোনও অন্যায় করিনি, জানালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
বর্তমান | ১০ জানুয়ারি ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘আবার জিতবে বাংলা’ কর্মসূচি থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের অফিসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গেলে কী করবেন।’ তখন থেকেই জল্পনা ছিল তাহলে কী তৃণমূল নেত্রী দিল্লিতে যাবেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে। সেই জল্পনার অবসান আজ, শুক্রবার খোদ ঘটালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডির ‘অনৈতিক’ হানার প্রতিবাদে আজ, শুক্রবার যাদবপুরের এইট-বি থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিলে হেঁটেছেন তৃণমূল নেত্রী। মিছিল শেষে হাজরা মোড়ে ছিল প্রতিবাদ সভা। সেই সভা থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমাদের পরবর্তী গন্তব্য দিল্লির নির্বাচন কমিশন। যাঁদের সাহস আছে, আমার সঙ্গে যাবে।’ পাশাপাশি গতকাল, বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিসে যাওয়া নিয়ে মমতা বলেন, ‘তুমি খুন করতে এলে আত্মরক্ষার অধিকার আছে আমাদের। চোরের মতো এসেছিলে কেন? সব তথ্য আমার অফিস থেকে চুরি করতে চাইছিলে। এসআইআরের তথ্য, ভোটারের তথ্য, বিএলএ-দের তথ্য। দলের চেয়ারপার্সন হিসেবে আমি ওখানে গিয়েছি। যা করেছি, কোনও অন্যায় করিনি। আইপ্যাক এখন আমাদের দলের পরামর্শদাতা সংস্থা, ভোট স্ট্র্যাটেজিও ওরাই দেখে। আমি তড়িঘড়ি গেলাম। আরে তোমরা তো এসেছ সকাল ৬টায়, আমি গিয়েছি যখন ১২টা বাজে। এতক্ষণে তো সব নিয়ে চলে গিয়েছ! এসআইআরের তথ্য, ভোটারদের তথ্য, বিএলএ-দের নাম, ফোন নম্বর – এসব চুরি করতে এসেছিলে তোমরা।’ পাশাপাশি এদিন তৃণমূল নেত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘সবকিছু পেনড্রাইভে আছে আমার কাছে। গদ্দারের মাধ্যমে কয়লা পাচারের টাকা যায় অমিত শাহের কাছে। আমার মুখ খোলাবে না। শুধুমাত্র দেশের কথা ভেবে চুপ করে আছি।’