• ফের খারিজ শতদ্রুর জামিন, দর্শকের টাকা ফেরতের আইনি রাস্তা বাতলাল সরকার
    প্রতিদিন | ১০ জানুয়ারি ২০২৬
  • ফারুক আলম, বিধাননগর: ফের জামিন খারিজ হল শতদ্রু দত্তের। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার তাঁর জামিন খারিজ হল। শুক্রবার বিধাননগর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয় লিওনেল মেসির কলকাতা সফরের মূল উদ্যোক্তাকে। ১৭ জানুয়ারি ফের শুনানি। এদিন সরকার পক্ষের আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় জেলাশাসকের মাধ্যমে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৭ নম্বর ধারার প্রসঙ্গ তুলে জানান, কীভাবে দর্শকদের টাকা ফেরত দেওয়া হয়। ১৭ জানুয়ারি সেই বিষয়েও শুনানি হবে।

    গত ১৩ ডিসেম্বর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে প্রবল বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। সেদিনই বিমানবন্দর থেকে অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক শতদ্রুকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৪দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয় শতদ্রুকে। পাশাপাশি শতদ্রুর রিষড়ার বাড়িতে তল্লাশি চালায় বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। তল্লাশির পরই ব্যাঙ্ক ও নানা লেনদেন সংক্রান্ত হিসাব খতিয়ে দেখেন সিটের আধিকারিকরা। তারপরই শতদ্রুর ২২ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়। গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর দীর্ঘ সওয়াল জবাবের পর খারিজ হয় জামিনের আবেদন। শতদ্রুকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

    এদিন ফের তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, শতদ্রু অসুস্থ। বাড়িতে তাঁর নাবালক ছেলে রয়েছে। সেসব ভেবে তাঁকে জামিন দেওয়া হোক। সেক্ষেত্রে তিনি সপ্তাহে তিনদিন এসে পুলিশের কাছে হাজিরা দিতে রাজি আছেন। কিন্তু তাতে কর্ণপাত করা হয়নি।

    তবে দর্শকদের টাকা ফেরানো নিয়ে অন্য একটি দিক উঠে আসে এদিনের শুনানিতে। সরকার পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৭ নম্বর ধারাকে ব্যবহার করে দর্শকদের টাকা ফেরত দেওয়া যায়। জেলাশাসকের মাধ্যমে এই বিষয়ে আবেদন করা হয়। তদন্তকারীরা সন্ধান পেয়েছেন টিকিট বিক্রির মোট ২১ কোটি ৯৪ লক্ষ টাকার মধ্যে ১০ কোটি টাকা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। তবে দু’টি অ্যাকাউন্টই আপাতত বাজেয়াপ্ত। যুবভারতীতে মেসিকে দেখার জন্য মোট ৪০ হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছিল। যার মধ্যে প্রায় ৩৫ হাজার টিকিট বিক্রি হয় অনলাইনে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)