• ‘বিজেপির হয়েও কাজ করেছি’, ইডি কাণ্ডের পর মুখ খুলে আর কী বলল প্রতীকের আইপ্যাক?
    প্রতিদিন | ১০ জানুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কেটে গিয়েছে প্রায় দু’দিন। কয়লা পাচার মামলার তদন্তে তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা আইপ্যাক সংস্থার অফিস ও কর্ণধারের বাড়িতে ইডি তল্লাশি হয়েছে। যা নিয়ে আপাতত উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ঘটনার প্রায় দু’দিন পর এনিয়ে মুখ খুলল সংস্থা। শুক্রবার রাতের দিকে সোশাল মিডিয়ায় এনিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করে আইপ্যাকের প্রতিক্রিয়া, অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং উদ্বেগের বিষয়। রাজনৈতিক দলমত নির্বিশেষে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করা একটি সংস্থার বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ কাম্য নয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আচমকা হানার নিন্দা করেও অবশ্য আইপ্যাক তদন্তে সহযোগিতার বার্তা দিয়েছে।

    ভোটকৌশলী প্রশান্ত কিশোরের তৈরি আইপ্যাক সংস্থাটি তৈরি হয়েছিল রাজনৈতিক পরামর্শদাতা হিসেবে। বিভিন্ন নির্বাচনের আগে জনমত বুঝে নিখুঁত রণকৌশলের মাধ্যমে কোনও নির্দিষ্ট দলকে জিতিয়ে আনার মতো দক্ষতা দেখিয়েছে আইপ্যাক। ২০১৪ সালে কেন্দ্রের ক্ষমতা বদলের নেপথ্যে প্রশান্ত কিশোরের এই সংস্থার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনাকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়। পরবর্তী ১০, ১১ বছরে একাধিক রাজনৈতিক দলের হয়ে পরামর্শের কাজ করেছে আইপ্যাক। তালিকায় কংগ্রেস, আপ, ডিএমকে, বিআরএস, জনতা দল (ইউনাইটেড)-সহ নানা রাজনৈতিক দল আইপ্যাকের সাহায্য নিয়েছে নিজেদের ভোট বৈতরণী উতরাতে। এই মুহূর্তে তারা কাজ করছে বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে। একইসঙ্গে আইপ্যাকের মালিকানাও বদলেছে। প্রশান্ত কিশোরের এখন সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈন।

    জাতীয় রাজনীতির স্ট্র্যাটেজিস্ট হিসেবে আইপ্যাকের সাফল্য সন্দেহাতীত। শুক্রবার বিবৃতিতে নিজেদের সেই সাফল্যের সিংহভাগই তুলে ধরেছে সংস্থা। বিবৃতিতে সূক্ষ্ণভাবে তারা জানিয়েছে, বিজেপির হয়েও তারা কাজ করেছে। কাজেই তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক মতানৈক্যের কোনও সম্পর্ক নেই। তারা পেশাগতভাবে কাজ করে। এহেন সংস্থায় আচমকা ইডি তল্লাশি একেবারেই কাম্য নয়। এধরনের ঘটনা সমাজে গভীর উদ্বেগের বিষয় বলেও মনে করে তারা। তবে এরপরও বিবৃতিতে প্রতীক জৈনের সংস্থা জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের প্রয়োজনে তদন্তে সহযোগিতা করবে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)