কোচবিহারের পর এবার বালুরঘাট, আরও এক চেয়ারম্যানের পদত্যাগ, কী চলছে?
আজ তক | ১১ জানুয়ারি ২০২৬
Balurghat Chairman Resign: বালুরঘাট পুরসভার নেতৃত্বে বড় পরিবর্তন। অনাস্থা প্রস্তাব আনার প্রায় কুড়ি দিন পর শনিবার দুপুরেই চেয়ারম্যান অশোককুমার মিত্র শেষ পর্যন্ত নিজের পদ ছাড়লেন। বোর্ড অফ কাউন্সিলরস (BOC) বৈঠকে তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে পদত্যাগপত্র পেশ করেন। ধ্বনিভোটে সর্বসম্মতিক্রমে সেই পদত্যাগ গ্রহণও করা হয়। সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরই পুরসভা থেকে বেরিয়ে যান অশোকবাবু। সঙ্গে ছিলেন তাঁর অনুগত ছ’-সাত জন কাউন্সিলর।
এর মধ্যেই জেলায় আরও এক পুরসভার চেয়ার বদল। কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকেও ইস্তফা দিলেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। ফলে একই দিনে দুই পুরসভায় নেতৃত্বের শূন্যতা তৈরি হল।
বালুরঘাটে অনাস্থার সুর চড়েছিল ১৯ ডিসেম্বর। তৃণমূলের ১৪ জন বিদ্রোহী কাউন্সিলর অশোক মিত্রের বিরুদ্ধে আনেন অনাস্থা প্রস্তাব। ৩১ ডিসেম্বর তিনি মহকুমা শাসকের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিলেও পরে অভিযোগ ওঠে, আইনি অসঙ্গতি থাকার কারণে সেই পদত্যাগ কার্যকর হয়নি। এরপর ৬ জানুয়ারি বিদ্রোহীদের মধ্যে তিন জন নতুন বৈঠক ডাকেন অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে।
অবশেষে শনিবার দুপুরের বৈঠকেই আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় চেয়ারম্যান পদ ছাড়েন অশোক মিত্র। ধ্বনিভোটে তাঁর ইস্তফা গৃহীত হওয়ায় সেদিন থেকেই বালুরঘাট পুরসভা চেয়ারম্যানহীন হয়ে পড়েছে। পুরসভা সূত্রে জানানো হয়েছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচনের জন্য বিশেষ বৈঠক ডাকা হবে। অন্যদিকে, পদত্যাগ গৃহীত হওয়ার পর বিদ্রোহী কাউন্সিলররা আলাদা করে বৈঠকে বসেছেন বলেও খবর।
পদত্যাগ নিয়ে অশোক মিত্র সাংবাদিকদের বলেন, “মহকুমা শাসকের কাছে আগেই পদত্যাগ দিয়েছিলাম। আজ দলের নির্দেশ মেনে BOC মিটিংয়ে সেটি আবার জমা দিই। সর্বসম্মতভাবে আমার ইস্তফা গ্রহণ হয়েছে।”
বালুরঘাট পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার অজয়কুমার প্রসাদ বলেন, “অশোককুমার মিত্রের পদত্যাগ গৃহীত হয়েছে। আজ থেকেই চেয়ারম্যান পদ শূন্য। নিয়ম অনুযায়ী সাত দিনের মধ্যেই নতুন চেয়ারম্যান বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হবে।”