ভুয়ো মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা হয়েছিল ফড়নবিশ ও সিন্ধেকে!
বর্তমান | ১১ জানুয়ারি ২০২৬
মুম্বই: দুর্নীতি মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ ও উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ সিন্ধেকে। প্রাক্তন ডিজিপি সঞ্জয় পাণ্ডের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ তোলা হয়েছে একটি রিপোর্টে। সম্প্রতি এই বিশেষ রিপোর্ট পেশ করেন সদ্য প্রাক্তন ডিজিপি রশ্মি শুক্লা। অবসরগ্রহণের ঠিক চারদিন আগে এই রিপোর্ট জমা দিয়েছেন তিনি। সেখানে বলা হয়েছে, ২০২১ সালে ইউএলসি (আরবান ল্যান্ড সিলিং) দুর্নীতি মামলায় দুই হেভিওয়েটকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিলেন রাজ্য পুলিশের তৎকালীন প্রধান সঞ্জয় পাণ্ডে। এজন্য পুলিশ আধিকারিক ও অভিযুক্তদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। মহারাষ্ট্রে পুরভোটের আগে এই অভিযোগ সামনে আসতেই তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক তরজা।
রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, তৎকালীন বিরোধী দলনেতা ফড়নবিশকে ২০১৬ সালের ইউএলসি দুর্নীতি মামলায় ফাঁসাতে চেয়েছিলেন পান্ডে। এজন্য থানের ডিসিপি লক্ষীকান্ত পাতিল ও এসসিপি সর্দার পাতিলের উপর চাপ তৈরি করা হয়েছিল। পাণ্ডে, সর্দার পাতিল ও লক্ষীকান্ত পাতিলের একটি কথোপকথনের রেকর্ডিংও পেশ করা হয়েছে। অভিযোগ, দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত সঞ্জয় পুনামিয়া ও সুনীল জৈনকে ফড়নবিশের বিরুদ্ধে জবানবন্দি দিতে চাপ দেওয়া হয়েছিল। ক্যামেরার সামনে ফড়নবিশ ও সিন্ধের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তুলতে বলেছিলেন পাণ্ডে ও তাঁর ঘনিষ্ঠ পুলিশকর্মীরা। উল্লেখ্য, যে সময়ের কথা রিপোর্টে বলা হয়েছে, তখন রাজ্যে ছিল উদ্ধব থ্যাকারের নেতৃত্বাধীন এমভিএ সরকার। রিপোর্ট ঘিরে সরব বিজেপি। তাদের দাবি, ওই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে রয়েছেন কোনও বড় মাথা। আসল সত্য প্রকাশের জন্য প্রাক্তন ডিজিপির নারকো অ্যানালিসিস টেস্ট করা হোক। পালটা শিবসেনা (উদ্ধব) নেতা সঞ্জয় রাউতের দাবি, রশ্মি শুক্লা আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত। তার রিপোর্ট বিশ্বাস করা উচিত নয়।