• ‘দ্য গ্রেট বিরিয়ানি কুক অফ’ ঘিরে উন্মাদনা, আজ বর্ধমানে বিরিয়ানি রান্নার প্রতিযোগিতা
    বর্তমান | ১১ জানুয়ারি ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান। বিরিয়ানি রান্নার প্রতিযোগিতা ‘দ্য গ্রেট বিরিয়ানি কুক অফ’-এর খবর সামনে আসার পর থেকেই উন্মাদনায় ফুটছিল বর্ধমান। সেদিন থেকেই শুরু হয়েছিল কাউন্টডাউন। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছিলেন রাধুঁনিপাগলরা। আজ, রবিবার তাঁরা দেখাবেন নিজেদের প্রতিভা। এদিন সকাল থেকেই শুরু হয়ে যাবে প্রতিযোগিতা। নবাবের শহরে এই উদ্যোগ প্রথমবার। সৌজন্যে ‘বর্তমান’ এবং ফরচুন বাসমতি রাইস। শহরের একটি ব্যাঙ্কোয়েট হলে প্রাথমিকস্তরে ১৫জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করবেন। তাঁদের মধ্যে সেরারা পাবেন কলকাতায় গ্র্যান্ড ফাইনালে অংশগ্রহণ করার সুযোগ। সবটাই হবে ‘লাইভ’। থাকবেন শ্বেতা ভট্টাচার্য, বিশ্বজিৎ, মৌনীতা চট্টোপাধ্যায়, পথিকৃৎ চট্টোপাধ্যয়ের মতো বিশিষ্টজনরা। ‘দ্য গ্রেট বিরিয়ানি কুক অফ’ গ্র্যান্ড ফিনালের প্রথম পুরস্কার থাকছে ৫০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় পুরস্কার ৩০ হাজার এবং তৃতীয় স্থানাধিকারীকে ২০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। সাড়ে ১৬, গসিপ, বর্ধমান ফুডিস ক্লাব, জাফরান, সি-টু, লা ডেকোরা, গ্যাসোফাস্ট, রাকেশ মশালা, অ্যাডভাইস গ্রুপ, গোলটেবিল-এর মতো নামী সংস্থা হাজির থাকছে। বর্ধমানের বাসিন্দারা বলেন, শীতের দুপুরে এর থেকে ভালো উদ্যোগ আর কিছুই হতে পারে না। শহরে বিভিন্ন ধরনের মেলা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও ঘাটতি নেই। কিন্তু, এধরনের প্রতিযোগিতা আগে কখনও হয়নি। প্রতিযোগীরা তো বটেই, কারা রান্নার সেরা শিরোপা ছিনিয়ে নিতে পারেন, তা নিয়ে আগ্রহ রয়েছে শহরের বাসিন্দাদের। ‘গসিপ’-এর পক্ষে সুকন্যা চট্টোপাধ্যায় বলেন, এধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। আমরা এরকম ইভেন্টে থাকতে পারছি। আশা করছি এধরনের উদ্যোগ আমরা আগামী দিনেও দেখতে পাব। শহরের বাসিন্দারা প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে পারবেন। বর্ধমান ফুডিস ক্লাবের পক্ষে মৈনাক মুখোপাধ্যায় বলেন, সারা দেশে বিভিন্ন ধরনের বিরিয়ানি তৈরি হয়। সেই রেসিপি বর্ধমান শহরে বসেই দেখা যাবে। বিরিয়ানি নিয়ে সকলের মধ্যেই আগ্রহ রয়েছে। এই প্রতিযোগিতা অন্যরকম মাত্রা পাবে বলে আমরা আশাবাদী। জাফরান-এর পক্ষে অনুভব ভট্টাচার্য বলেন, এটা অভিনব প্রতিযোগিতা। আমরাও সঙ্গে থাকছি। বর্ধমানের মানুষ অন্যরকম মুহূর্তের সাক্ষী থাকবেন। শহরের সাড়ে ১৬ রেস্তরাঁর পক্ষে মলয় সামন্ত বলেন, খাবার নিয়ে এরকম প্রতিযোগিতা আগে হয়নি। রেস্টুরেন্ট পার্টনার হিসেবে অংশগ্রহণ করতে পেরে গর্ব অনুভব করছি। শহরের বাসিন্দারা অন্য ধরনের প্রতিযোগিতা দেখতে পাবেন। বাসিন্দারা বলেন, বিরিয়ানির জনপ্রিয়তা আগের থেকে অনেক বেড়ে গিয়েছে। শহরে বিরিয়ানির দোকানের সংখ্যাও বেড়েছে। সেকারণে এই প্রতিযোগিতা ঘিরে নতুন প্রজন্মেরও আগ্রহ রয়েছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আগ্রহ দেখা যায়। 
  • Link to this news (বর্তমান)