মহিষাদলে এমএলএ কাপের ফুটবল দেখতে হাজির ব্যারেটো ও ডি’কুনহা
বর্তমান | ১১ জানুয়ারি ২০২৬
সংবাদদাতা, হলদিয়া: এমএলএ কাপ ঘিরে মহিষাদলে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা দিয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় মহিষাদল রাজ ময়দান ক্রীড়াপ্রেমীদের উচ্ছ্বাসে যেন মিনি যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে পরিণত হয়। এদিন সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ মাঠে এসে পৌঁছন দুই নামী ফুটবলার জোশ ব্যারেটো ও আলভিটো ডি’কুনহা। কলকাতার ময়দান কাঁপানো দুই ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার মাঠে পৌঁছতেই তাঁদের সঙ্গে সেলফি তুলতে দর্শকদের ভিড় জমে যায়। উৎসাহীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকদের হিমশিম খেতে হয়।
এদিন দুই নামী ফুটবলারকে হুডখোলা জিপে মাঠ পরিক্রমা করানো হয়। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী। মাঠে আসার আগেই ব্যারেটোর একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করা হয়। তাতে ব্যারেটো ক্রীড়াপ্রেমীদের এমএলএ কাপের ম্যাচ দেখার জন্য মহিষাদল রাজ ময়দানে আসার আবেদন করেন। বলেন, ‘আমি আসছি, আপনারাও আসুন মাঠে।’
বিকেল থেকেই ফুটবল টুর্নামেন্ট দেখতে ব্যাপক ভিড় হয়। টুর্নামেন্টের আগে মহিলাদের একটি প্রীতি ম্যাচ হয়েছিল। মেদিনীপুর বনাম কলকাতা-দুই মহিলা দলের ফুটবল খেলা দেখতে ভিড় উপচে পড়ে। মেদিনীপুর টিমের হয়ে খেলেন জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় ঠান্ডামণি বাস্কে। তাঁর গোলেই এদিন ১-০ ব্যবধানে জয়ী হয় মেদিনীপুর।
এরপর বিকেল থেকে বাছাই করা আটটি দলের ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়। প্রথম ম্যাচ থেকেই মাঠে টানটান উত্তেজনা ছিল। শুক্রবারের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের মতো প্রতিটি ফুটবল ম্যাচের ধারাবিবরণী ও লাইভ সম্প্রচার হয়েছে। সন্ধ্যায় খেলা দেখতে মাঠে জেলা প্রশাসন ও ক্রীড়া জগতের বহু মানুষ উপস্থিত ছিল।
শুক্রবার থেকে মহিষাদল রাজ ময়দানে দু’দিনের এমএলএ কাপ শুরু হয়েছে। ওইদিন রাতে ক্রিকেটের ফাইনাল দেখতে শীত উপেক্ষা করেই কয়েকহাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। ফাইনালে মহিষাদলের দু’টি টিমের লড়াই দারুণ উপভোগ্য হয়েছে। ফাইনালে মহিষাদলের সানশাইন ক্লাব স্থানীয় পারজাত ক্লাবকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। সানশাইন ক্লাবকে পুরস্কারমূল্য ১লক্ষ ৬০হাজার টাকা এবং চ্যাম্পিয়নের ট্রফি দেওয়া হয়েছে। রানার্স দলকে ১লক্ষ ২০হাজার টাকা পুরস্কারমূল্য ও ট্রফি তুলে দেন বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী। • নিজস্ব চিত্র