• অন্য মহিলার সঙ্গে ঘরে বেঁধেছে স্বামী! খোরপোশও দেয় না, থানায় যাওয়ার আগেই প্রকাশ্যে স্ত্রীকে... ভয়ংকর...
    ২৪ ঘন্টা | ১১ জানুয়ারি ২০২৬
  • মনোজ মণ্ডল: স্বামী পরনারীতে মগ্ন। অবৈধ সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় প্রকাশ্য় নারকীয় অত্যাচার মহিলার উপর। দেগঙ্গায় মহিলার উপর দিনেদুপুরে হামলা। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার দুপুরে দেগঙ্গা থানার কার্তিকপুর এলাকায়, যেখানে সবার চোখের সামনে মহিলাকে টেনে হিঁচড়ে, এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়।

    ঘটনাস্থল দেগঙ্গা থানার কার্তিকপুর এলাকা। আক্রান্ত তরুণীর নাম সাবিনা খাতুন,বয়স ২৭ বছর। সাবিনার দাবি, তাঁর স্বামীর অবৈধ সম্পর্কে জড়িত। বছর দুই আগে এক মহিলার সঙ্গে অন্যত্র গিয়ে বসবাস করেন। তাঁকে এবং তাঁর পাঁচ বছরের শিশুর কোনও খরচ স্বামী কিংবা শ্বশুর বাড়ির কেউ দেয় না। তিনি নিজে উপার্জন করে ছেলের পড়াশোনা এবং নিজেদের দুজনের জীবন যাপন করেন। স্বামী চলে যাওয়ার পর থেকে শ্বশুড়, শ্বাশুড়ি তাঁর উপর অত্যাচার করে মারধর করে।

    অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে সাবিনা ছেলেকে নিয়ে একটি টোটোয় করে থানায় লিখিত অভিযোগ করতে যাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে ননদ ও ননদের স্বামী অর্থাৎ চাপাতলা উপ প্রধানের ভাই পথের মাঝে প্রকাশ্য দিবালোকে রাস্তার মাঝে তাদের গাড়ি আটকে তার ছেলেকে মারধর করে এবং তাকে টোটো থেকে টেনে হিঁচড়ে নামায়। তারপর এলোপাথাড়ি মারধর করে, বুট দিয়ে লাথি মারে এবং গলায় ওড়না পেঁচিয়ে প্রাণে মারার চেষ্টা করে ননদ ও ননদাই।

    রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বিশ্বনাথপুর হাসপাতালে চিকিৎসা করায়। শারিরীক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে বারাসত জেলা হাসপাতালে রেফার করেন চিকিৎসক। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। দেগঙ্গা থানায় ননদ, ননদাই-সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দেগঙ্গা থানার পুলিস।

    প্রসঙ্গত, গত বছর প্রকাশ্য রাস্তায় স্ত্রীকে ছুরির এলোপাথাড়ি কোপ মারে স্বামী। ঘটনাটি পশ্চিম বর্ধমান জেলার অন্ডালের হরিপুরে ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পিন্টু গোপের সঙ্গে স্ত্রী পায়েল গোপের মধ্যে অশান্তি চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। পায়েল গোপ হরিপুরের একটি নার্সিং হোমের কর্মী এবং পিন্টু একটি মিষ্টির দোকানে কাজ করে।

    ঘটনার সকালে হরিপুরের হাসপাতালে কাজে যোগ দিতে যাচ্ছিল পায়েল। তখন রাস্তায় ওঁত পেতে থাকা পিন্টু তাকে থামিয়ে ধারাল চাকু দিয়ে একের পর এক কোপ মারতে থাকে, ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই হইচই পড়ে যায়। স্থানীয়রা কোনওরকমে পায়েলকে উদ্ধার করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় রক্তাক্ত অবস্থায় পায়েলকে উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। 

  • Link to this news (২৪ ঘন্টা)