• পুরনো এসআইআর তালিকায় নাম থাকলেও হয়নি ম্যাপিং! সেই ভোটারদের তথ্য নিয়ে আপলোডের নির্দেশ বিএলওদের
    আনন্দবাজার | ১১ জানুয়ারি ২০২৬
  • বুথস্তরের আধিকারিক বা বিএলও-দের নতুন দায়িত্ব দিল নির্বাচন কমিশন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর তালিকায় নাম থাকার পরেও তার সঙ্গে যাঁদের কোনও কারণে ম্যাপিং হয়নি, তাঁদের তথ্য সংগ্রহ করে আপলোড করতে হবে। আপলোড করার পাশাপাশি ‘সার্টিফাই’ও করতে হবে।

    ২০০২ সালে এসআইআরের তালিকায় যে ভোটারদের নাম রয়েছে, তাঁদের অনেককে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে ম্যাপিংয়ে আসছে না। কমিশন জানিয়েছে তাঁদের শুনানিতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বিএলও বাড়িতে গিয়ে যাচাই করবেন। সেই তথ্য এ বার বিএলও-দের নতুন করে আপলোড করতে হবে।

    পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ৪ নভেম্বর। পশ্চিমবঙ্গে ১১ ডিসেম্বর এনুমারেশন পর্ব শেষ হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর প্রকাশ্যে আনা হয়েছে খসড়া ভোটার তালিকা। সেই তালিকা থেকে ৫৮ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। কমিশন জানিয়েছিল, ‘নো ম্যাপিং’ তালিকায় থাকা প্রায় ৩০ লক্ষ ভোটারকে শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হবে। এ ছাড়া, আরও লক্ষাধিক ভোটারকে সন্দেহজনক হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদেরও শুনানিতে হাজির হতে হবে। তাঁদের তথ্য যাচাই করে দেখবে কমিশন।

    পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের সময় নির্বাচন কমিশনের তথ্যগত ‘অসঙ্গতি’র তালিকায় (লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি) নাম ছিল এক কোটি ৩৬ লক্ষের। ২ জানুয়ারি কমিশন জানায় সেই সংখ্যা কমেছে। এক কোটি ৩৬ লক্ষ নয়, তথ্যগত ‘অসঙ্গতি’র সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৯৪ লক্ষ ৪৯ হাজার। অর্থাৎ, ৪১ লক্ষ ৫১ হাজার কমে।

    অন্য দিকে, ‘নো ম্যাপিং’-এর পরে ‘প্রজেনি ম্যাপিং’ ভোটারদের শুনানির জন্য ডাকার তোড়জোড় শুরু করেছে কমিশন। ‘প্রজেনি ম্যাপিং’ হল ছয়ের বেশি ভোটারের বাবার নাম একই রয়েছে। অর্থাৎ, অভিভাবক এক জন এবং সন্তান হিসাবে ছ’জন তাঁর নামে ছ’টি এনুমারেশন ফর্ম জমা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, ১০০ জন ভোটারের বাবার নাম একই রয়েছে, এমন ঘটনাও আছে। ‘প্রজেনি ম্যাপিং’-এর তালিকায় রয়েছে প্রায় ২৪ লক্ষ ভোটার। তাঁদের শুনানিতে ডাকার জন্য নোটিস তৈরি হয়ে গিয়েছে। শুরু হবে নোটিস বিলি।
  • Link to this news (আনন্দবাজার)