বৃহস্পতিবারের ঘটনার প্রতিবাদে যাদবপুর এইটবি বাসস্ট্যান্ড থেকে মিছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। রবিবার বিকেলের এই মিছিলের গন্তব্য দেশপ্রিয় পার্ক। বৃহস্পতিবার I-PAC-এর কর্ণধারের বাড়ি ও তাঁর অফিসে ইডির হানা, সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর পৌঁছে যাওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসার ঘটনাক্রমকে ধিক্কার জানিয়ে এ দিনের এই প্রতিবাদ মিছিল। যদিও এই মিছিল নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি শাসকদল।
মিছিল থেকে সংবাদমাধ্যমকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘এখানে ফিল্ম স্টার নেই, রুদ্রনীল ঘোষ এখন পলিটিক্যাল। সে দিন সরকারের একটা শো ছিল। আজকেরটা ন্যাচারাল। ভবানীপুরে হারিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করে তার পরে আমি থামব। যা পারে করে নিক। আর সকলে দেখেছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফাইল কেড়ে এনেছেন, সগর্বে তা বলেওছেন। সব ছিনতাই করে নিয়ে গিয়েছেন।’ তারই প্রতিবাদে বিজেপির এ দিনের মিছিল বলে জানান দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
এ দিন সাংবাদিক সম্মেলন থেকে তৃণমূলকে কটাক্ষ করে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘তৃণমূল আর দুর্নীতি সমার্থক। মুখ্যমন্ত্রীর এই ফাইল ছিনতাই সেটাকে প্রতিষ্ঠিত করল। ফাইলগুলি আনার সময়ে সঙ্গে ছিলেন তাঁর ব্যক্তিগত দেহরক্ষী। তাঁরা রাজ্য সরকারের পুলিশ। তাদের নিয়ে এ কাজে নেমে পড়লেন। সারা দেশের মানুষ হাসছেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই অগণতান্ত্রিক, অসাংবিধানিক আচরণের প্রতিবাদে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে যাদবপুর এইটবি বাস স্ট্যান্ড খেকে রাসবিহারী পর্যন্ত মিছিল হচ্ছে।’
যদিও শুভেন্দুর এই মিছিলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল। দলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তীর কথায়, ‘দাঁড় কাক ময়ূরের পালক পরলেই কি ময়ূর হয়ে যায়? শুভেন্দু অধিকারীকেও আজীবন মমতাদির আলোয় আলোকিত থাকতে হবে। মমতাদি যাদবপুর থেকে মিছিল করেছিলেন, তাই শুভেন্দুকেও নকল করে যাদবপুর থেকেই মিছিল করতে হবে। ঠিক যে ভাবে ২১ জুলাই-ই শুভেন্দুকে সভা করতে হয়। কিন্তু দিনের শেষে দাঁড় কাক কাকই থাকে, কোনও দিন ময়ূর হয় না।’