কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে বাইক চলাচলে বাধা নেই, বিতর্ক সরিয়ে নতুন যা জানাল পুলিশ
আজ তক | ১২ জানুয়ারি ২০২৬
কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে বাইক চলাচল নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই টানা বিতর্ক চলছে। মূলত একটি ছবি ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি দেখিয়ে দাবি করা হয়, মূল কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে নাকি বাইক- রুটের বাস -অটো চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাইকের মতো যানবাহনকে নাকি যেতে হবে সার্ভিস রোড ধরেই। এরপরেই প্রশ্ন ওঠে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের মতো একটি রোডে যদি বাইক- রুটের বাস না চলে, সেক্ষেত্রে কোন গাড়ি চলবে?
খোঁজ নিল bangla.aajtak.in
বাইক নিয়ে বিতর্ক তীব্র হয়ে উঠতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো আলোচনা শুরু হয়। নেটিজেনরা অনেকেই পুলিশকে বিষয়টি নিয়ে দুষতে থাকেন। তবে বিষয়টির আসল রহস্য কী জানতে ময়দানে নেমেছিল bangla.aajtak.in ।
ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (ট্রাফিক) অম্লান কুসুম ঘোষ bangla.aajtak.in -কে জানান, "বিষয়টি নিয়ে কোনও নতুন নোটিফিকেশন জারি করা হয়নি। বাইক যেতে পারবে না, এমন কোনও নতুন কিছু প্রকাশ করা হয়নি। যে ছোট ভ্যান, অটো বা টোটোর মতো স্বল্প গতির যান রয়েছে, আমরা সেগুলিকে অনুরোধ করেছি, যাতে তারা সার্ভিস রোড ব্যবহার করেন। যাতে দুর্ঘটনা না ঘটে। এমন অনুরোধ সবসময়ই করা হয়। কিন্তু বাইক যাবে না, বাস যাবে না, এমন কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। সব গাড়িই চলতে পারে।"
কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে স্পিড লিমিট কত রয়েছে?
পুলিশ আধিকারিক জানান, কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে মালবাহী গাড়ির জন্য স্পিড লিমিট রয়েছে ৬৫ কিমি/ ঘণ্টা। অন্যদিকে, ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য এই লিমিট রাখা হয়েছে ৮০ কিমি/ঘণ্টা।
উল্লেখ্য, মসৃণ মাখনের মতো কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে এর আগে বহু বাইকারের বিরুদ্ধেই রেস করার অভিযোগ উঠেছে। এমনকী বহুবার বাইক দুর্ঘটনাও ঘটেছে। আর সেই কারণেই বিষয়টি নিয়ে সতর্ক পুলিশ। বাইক, ভ্যান ও সাইকেল চলাচলের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকে ঝুঁকি এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।