নয়াদিল্লি: ২০২৩ সালে খুন করা হয় স্বামীকে। চোখের সামনে সেই দৃশ্য দেখছিলেন স্ত্রী। তাঁর সাক্ষ্যই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে হত্যা মামলায়। তবে বিচার শেষ হওয়ার আগেই খুন হলেন ওই মহিলা। দিল্লির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের শালিমার বাগ এলাকার এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃতার নাম রচনা যাদব। তাঁকে বাড়ির কাছেই গুলি করে খুন করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে রচনা যাদব বাড়ির বাইরে বেরোতেই দুই অজ্ঞাতপরিচয় যুবক বাইক নিয়ে তাঁর সামনে এসে দাঁড়ায়। একজন প্রথমে তাঁর নাম জিজ্ঞেস করে এবং পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরেই পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে তাঁকে গুলি করে। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেখান থেকে একটি খালি কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আশপাশের এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে তাদের গতিবিধি শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীদের অনুমান, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রচনার স্বামীর খুনের মামলার সরাসরি যোগ রয়েছে। ২০২৩ সালে স্বামী বিজেন্দ্র যাদবের হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিলেন রচনা। মামলায় প্রধান অভিযুক্ত ভরত যাদব এখনও পলাতক।
মৃতের পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই রচনার পরিবারকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। বিজেন্দ্র হত্যা মামলার সাক্ষী হওয়ার কারণেই পরিকল্পিতভাবে এই খুন করা হয়েছে রচনাকে। অভিযোগ, প্রশাসনের কাছে বারবার নিরাপত্তা চেয়েও লাভ হয়নি। এই ঘটনায় সাক্ষী সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, দুষ্কৃতীদের ধরতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। খুব শীঘ্রই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।