আজকাল ওয়েবডেস্ক: জানুয়ারি জুড়ে জেলা ঘুরছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি। ১২ জানুয়ারি তবে নিজের শহরেই। এদিন হাজির হয়েছিলেন 'আমি বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধা'র কনক্লেভে। তৃণমূল কংগ্রেস কীভাবে এই ভোটের ময়দানে নামতে চলেছে, দলের কর্মীদের কীভাবে ময়দানে নামানো হবে, তা নিয়ে এদিন কথা বলেন তিনি। এক প্রকার কর্মীদের বুস্টার ডোজ অভিষেকের আজকের এই সভা।
তবে বুস্টার ডোজ, রণকৌশল ছকে দেওয়ার পাশাপাশি, এদিন অভিষেক ব্যানার্জি প্রশ্নোত্তর পর্বে বেশকিছু প্রশ্নের উত্তরও দেন। অভিষেকের সঙ্গে তখন মঞ্চে ছিলেন তৃণমূল নেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য, দেবাংশু ভট্টাচার্য। সেখানেই একে একে প্রশ্ন তুলে ধরা হয় অভিষেকের সামনে, যেগুলি তাঁকে ডিজিটাল যোদ্ধাদের মধ্যে থেকেই করেছেন কেউ না কেউ।
তারমধ্যেই একটি সরাসরি 'ফিটনেস ফ্রিক' অভিষেককে। কারণ সাম্প্রতিককালে তাঁর জিম সেলফি, পুশ-আপও কিন্তু ঢুকে পরেছে বঙ্গ রাজনীতির অলিন্দে। তা নিয়েও জোর চর্চা। এদিন অভিষেককে হাওড়ার বালির স্নেহা ঘোষ প্রশ্ন পাঠান,
'দাদা, আপনি নেক্সট জিম সেলফি কবে পোস্ট করবেন?'
মঞ্চে দাঁড়িয়েই উত্তর অভিষেকের। সাফ উত্তর, '২৫০ করার পর। তৃণমূল জিতবে, ২৫০ হবে। তারপর হবে।'
তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, অভিষেক কোন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট দেখেন সবথেকে এবশি? তাঁর প্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটার কে?
উত্তরে অভিষেক বলেন, 'দেশের সবথেকে বড় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আমার মনে হয় দেশের প্রধানমন্ত্রী। পুরোটাই পিআর-এ চলছে, পুরোটাই কন্টেন্টের উপর। আমি ফেসবুকে বেশি সময়য় কাটাই মা। তবে ফোনে স্ক্রিণ টাইম ১০-১২ ঘণ্টা। কাজের বাইরে আলাদা করে ফেসবুকে কন্টেন্ট দেখার সুযোগ পাই না। তবে আমাদের সহকর্মীরা অনেকেই ভাল বলেন, লেখেন, আমি তাদের কথা শুনি, দেখি। যাঁরা দলের হয়ে কাজ করবেন, তাঁদের আমি অনুরোধ করব, আমাদের বাংলার উপর যে হামলা-আঘাত, বাংলার সংস্কৃতিকে নষ্ট করার যে প্রচেষ্টা, তাও তুলে ধরবেন মানুষের সামনে। বাংলার ইতিহাস যেন আগামী প্রজন্ম মনে রাখে। তারা যেন বাংলার অবদান ভুলে না যায়।'
প্রশ্ন আসে, আমরা কীভাবে আমাদের নেতাদের সঙ্গে আরও বেশি ডিজিটাল ওয়েভে সংযুক্ত থাকতে পারি?
অভিষেক বলেন, 'আমাদের অ্যাপ রয়েছে দিদির দূত। বাকি আমরা সবাই রয়েছি ফেসবুকে, ইনস্টাগ্রামে। মেসেজের সুযোগ রয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল রয়েছে। ফলো করতে পারেন। এক্স-এ মেসেজের সুযোগ রয়েছে।' এছাড়া কোনও তথ্য দেওয়ার থাকলে কী করতে হবে তাও বলেন। জরুরি প্রয়োজন থাকলে, তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য এবং দেবাংশু ভট্টাচার্যর সঙ্গে যোগাযোগের বার্তা দেন। এদিনের মঞ্চ থেকেই অভিষেক জানান, পরের বার, নেতাজি ইনডোরে ২০ হাজারের সমাবেশ করা হবে।