• মারধরে মৃত স্ত্রীকে হাসপাতালে ফেলে রেখে চম্পট দিলেন স্বামী
    বর্তমান | ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: রবিবার রাতে এক বধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে শোরগোল পড়ে তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে। মৃতের নাম লক্ষ্মী দাস (২২)। ঘটনাটি ধনিয়াখালি থানার রাধানগর গ্রামের। বছর চারেক আগে জাঙ্গিপাড়া থানার রাধানগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তরুণী লক্ষ্মী দাসের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ধনিয়াখালি থানা এলাকার যুবক বাপন দুলের। দু’জনেই তখন কলেজ পড়ুয়া। বছর দুয়েক আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাঁরা। বিয়ের এক বছর পর এক কন্যাসন্তানের জন্ম দেন লক্ষ্মী।

    মৃত বধূর মা মিঠু দাস অভিযোগ করেন, অন্য মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক আছে বাপনের। এই নিয়ে মাঝেমধ্যে অশান্তি চলতো লক্ষ্মীর সঙ্গে। তাই বেশিরভাগ সময় বাপের বাড়িতেই থাকতো লক্ষ্মী। কারণ এই অশান্তির জেরে প্রায়ই লক্ষ্মীকে মারধর করা হতো। রবিবার অশান্তি তীব্র হলে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় লক্ষ্মীকে মারধর করে বাপন। এরপরে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয় তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে। কিন্তু মেয়ের অবস্থা বেগতিক দেখে সেখান থেকে চম্পট দেয় বাপন। আমাদের কাছে খবর আসে যে, লক্ষ্মী জ্ঞান হারিয়েছে। কিন্তু কীভাবে জ্ঞান হারালো, তা জানানো হয়নি বাপনের পরিবারের পক্ষ থেকে।

    রবিবার রাতেই তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে যান লক্ষ্মীর মা। গিয়ে দেখেন, হাসপাতালে ইমারজেন্সি রুমে পড়ে আছে মেয়ের প্রাণহীন দেহ। তা দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন মা। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চন্দনগর মুহকুমা হাসপাতালে পাঠায় তারকেশ্বর থানার পুলিশ। ঘটনার পর থেকে বেপাত্তা স্বামী বাপন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মোবাইল ফোন বাড়িতে রেখে ফেরার হয়েছেন বাপন। তাঁকে ধরতে একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
  • Link to this news (বর্তমান)