• ধুলো থেকে পুণ্যার্থীদের রেহাই দিতে অ্যান্টি স্মগ মেশিন
    বর্তমান | ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মেলা শুরু হতেই পুণ্যার্থীদের আনাগোনা বাড়তে শুরু করেছে। কপিল মুনির মন্দির ও তার আশপাশে পায়ে পায়ে উড়ছে ধুলো। তাতে জেরবার সবাই। কেউ নাকে রুমাল বেঁধে হাঁটছেন। কেউ সেই ধুলো মেখেই দর্শন করছেন কপিল মুনির মন্দির। তাই এবার ধুলো মারতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। অ্যান্টি স্মগ মেশিনের মাধ্যমে বাতাসে জল ছিটানো হচ্ছে। সাগরমেলায় এমন উদ্যোগ এই প্রথম। মেলার ২ নম্বর রাস্তায় যেখানে বেশি ভিড়, সেখানেই গাড়িতে এই মেশিন বসিয়ে চলছে কাজ। সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তর থেকে এই বিশেষ যন্ত্র আনা হয়েছে। এদিকে, মকর সংক্রান্তির পুণ্যলগ্নের আগেই সাগরে ডুব দিয়ে বাড়ি ফিরেছেন অনেকেই।

    সোমবার এক সাংবাদিক বৈঠকে বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, ১ থেকে ১২ জানুয়ারি দুপুর ৩টে পর্যন্ত ৪৫ লক্ষ পুণ্যার্থী এসেছেন সাগরে। তবে মেলা চত্বরে খোলা আকাশের নীচে আগুন জ্বালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা আছে। সে-কথা এদিন আবারও মনে করিয়ে দেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। কিন্তু মেলার বিভিন্ন জায়গায় দেখা গেল, সাধু থেকে তীর্থযাত্রীদের অনেকেই কাঠকয়লা জ্বালিয়ে রান্না করছেন। প্রশ্ন করতেই তাঁরা বলছেন, খাবার কিনে খাওয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য সবার নেই। তাই রান্না করে খাচ্ছি। রান্না হয়ে গেলেই আগুন নিভিয়ে দেব। এখানেই প্রশ্ন, তাহলে কি নজরদারি হচ্ছে না ঠিকমতো? ক’দিন আগেই এক বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়েছে বেশকিছু অস্থায়ী ছাউনি ও তাঁবু। তারপরও কেন হুঁশ নেই প্রশাসনের, সেটাই আশ্চর্যের! অন্যদিকে, মেলায় এখনও পর্যন্ত ৮৪ জন তাঁদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। ৮০ জনকে খুঁজে সংশ্লিষ্ট পরিবার পরিজনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
  • Link to this news (বর্তমান)