• মিজ়োরামে চিন্তা বাড়াচ্ছে যক্ষ্মা, এক বছরে মৃত্যু ১৪৫ জনের
    এই সময় | ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
  • আইজ়ল: গত ছ’বছরে মিজ়োরামে লাফিয়ে বেড়েছে যক্ষ্মা রোগে মৃত্যুর হার। গত বছর, ২০২৫–এ উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যটিতে যক্ষ্মায় মৃত্যু হয়েছে ১৪৫ জনের। গত ছ’বছরে মধ্যে যেটি রেকর্ড সংখ্যা। ২০২৪–এর তুলনায় ২০২৫–এ যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যাটা খানিক কমেছিল। স্বাস্থ্য মহল কিঞ্চিৎ আশার আলো দেখেছিল, এ বার হয়তো কিছুটা হলেও মৃত্যুতে রাশ টানা যাবে। কিন্তু তার পরেও গত বছর টিউবারকিউলোসিসে (টিবি) মৃত্যুর গ্রাফটা ঊর্ধ্বমুখীই রইল।

    ২০২৫–এ মিজ়োরামে নথিভুক্ত টিবি কেস ছিল ২,২৭৫টি। তার মধ্যে ছিলেন ৯১১ জন মহিলা। যেখানে ২০২৪–এ রোগীসংখ্যা ছিল, ২,২৯১। সূত্রের খবর, এই রোগীদের মধ্যে যক্ষ্মার চিকিৎসার সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়েছেন ১৯০০ জন এবং ৩৭৫ জন বাইরের প্রাইভেট ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা করিয়েছেন। এক স্বাস্থ্য অধিকর্তা জানান, গত বছর মোট কেসের মধ্যে ১৪৬ জনের মাল্টি ড্রাগ রেজ়িস্ট্যান্ট (এমডিআর) টিবি–র চিকিৎসা হয়েছে। মোট রোগীর মধ্যে ২৬৭ জনের টিবির পাশাপাশি এইচআইভি/এইডস ধরা পড়েছে। বিশেষজ্ঞ মহলের দাবি, দীর্ঘমেয়াদি এই চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় অনেক সময়েই কোর্স শেষ করেন না রোগীরা। সে ক্ষেত্রে এমডিআর কেস বেড়ে যায়।

    ন্যাশনাল হেলথ মিশনের আওতাধীন ন্যাশনাল টিবি এলিমি‍নেশন প্রোগ্রামের রিপোর্ট আনুযায়ী, ২০২০–তে মিজ়োরামে যক্ষ্মায় মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৩১। ২০২৪–এ ১৩৬ এবং গত বছরে মৃত্যু হয় ১৪৫ জনের। গত বছর ১৫৬৭টি কেস নিয়ে রাজ্যের সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছিল রাজধানী আইজ়ল। তবে কর্তৃপক্ষের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের ‘যক্ষ্মামুক্ত ভারত অভিযানে’ কমিউনিটি পার্টিসিপেশন গত কয়েক বছরে অনেকটাই বেড়েছে। নিক্ষয় প্রকল্পের আওতায় অনেক যক্ষ্মারোগীর চিকিৎসা–সহ আর্থিক দায়িত্ব নিয়েছেন অনেক নাগরিক। তার পরেও মৃত্যুর হার বাড়তে থাকায় উদ্বেগ বেড়েছে স্বাস্থ্য মহলে।

  • Link to this news (এই সময়)