• পাড়ায় ছুরি নিয়ে দাদাগিরি, মুদির দোকানে বচসাও, মদ্যপ যুবকের মৃত্যুতে রহস্য
    এই সময় | ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
  • এই সময়, আলিপুরদুয়ার: মদ্যপ নিজের অবস্থায় পাড়ায় দাদাগিরি দেখাতে গিয়ে খুন হলেন যুবক। তাঁর নাম সঞ্জয় তালুকদার (৩৩)। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে ছুরিকাহত হয়েছেন ওই যুবকের বৃদ্ধ বাবা সুভাষ তালুকদার।তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটে আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের শীলবাড়ি হাটের পশ্চিম কাঁঠাল বাড়ি এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে সোনাপুর ফাঁড়ির পুলিশ। পশ্চিম কাঁঠাল বাড়ির রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা ছেলে ও বাবাকে পুলিশ উদ্ধার করে পাঁচকেলগুড়ি ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে সঞ্জয়কে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মৃতের বাবাকে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে রেফার করা হয়।

    তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে যে, পশ্চিম কাঁঠাল বাড়ি এলাকার মুদি দোকানের মালিক বিমান বর্মনের সঙ্গে রবিবার রাতে বচসায় জড়িয়ে পড়েন সঞ্জয়। বচসা হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছলে গোলমাল শুনে ঘটনাস্থলে হাজির হন সুভাষ। অভিযোগ, ওই বচসা তুঙ্গে উঠলে আচমকাই সঞ্জয় একটি ধারালো ছুরি উচিয়ে বিমানের দিকে তেড়ে যান। দু'জনের মধ্যে প্রবল ধস্তাধস্তি শুরু হয়। সে সময় হঠাৎই সঞ্জয়ের পেটে ছুরি ঢুকে যায়। বচসার মধ্যে পড়ে গুরুতর জখম হন তাঁর বাবাও। তবে পুলিশ এখনও নিশ্চিত নয় যে, আত্মরক্ষায় মুদি দেকানের মালিক ছুরি চালিয়ে ছিলেন, নাকি ধস্তাধস্তির সময়ে কোনও ভাবে মদ্যপের পেটে ছুরি ঢুকে যায়।

    যদিও মৃত যুবকের পরিবারের তরফে ওই দোকান মালিক ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তারই ভিত্তিতে তদন্তে নেমে দোকানির খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। যদিও ঘটনার পর থেকেই সপরিবার ফেরার বিমান। সোনাপুর ফাঁড়ির ওসি বিশ্বজিৎ দে বলেন, 'খুন হওয়া যুবকের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে এলাকায় দাদাগিরি চালানোর একাধিক অভিযোগ ছিল। তবে আমরা একটি খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছি। ফেরার মুদি দোকানের মালিকের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।'

  • Link to this news (এই সময়)