শুক্রবার গভীর রাতে গঙ্গাসাগর মেলাপ্রাঙ্গণে পুলিশের অস্থায়ী শিবিরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এর ফলে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের। ওই ঘটনার পর থেকেই মেলার নিরাপত্তা ও অগ্নি-নির্বাপণ ব্যবস্থার উপর বাড়তি নজরদারি চালানো হচ্ছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কোনও ধরনের বিপদ এড়াতে মেলাচত্বরের প্রতিটি বৈদ্যুতিক তার, সংযোগ এবং অস্থায়ী বিদ্যুৎ লাইন নতুন করে খতিয়ে দেখা হয়েছে। যেখানে প্রয়োজন সেখানে পুরনো তার ও সংযোগ বদল করা হয়েছে।
এরকম অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সেই কারণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অতিরিক্ত অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বসানো হয়েছে। পাশাপাশি দমকল কর্মীদের টহলও বাড়ানো হয়েছে। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত তাঁবু ও অস্থায়ী হোগলাপাতার ছাউনিগুলি দ্রুত নতুন করে তৈরি করা হচ্ছে।
প্রশাসন জানিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী কাকদ্বীপ ও সাগরদ্বীপে উপস্থিত থেকে মেলা পরিচালনা করছেন। পুলিশ, দমকল, স্বাস্থ্য দপ্তর এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও জোরকদমে কাজ করছে। কন্ট্রোল রুম থেকে মেলার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, ফেরি পরিষেবা সুষ্ঠু রাখা এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি চিকিৎসা পরিষেবাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়াও অ্যাম্বুল্যান্স, অস্থায়ী চিকিৎসা শিবির ও মেডিক্যাল টিম মোতায়েন করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর গঙ্গাসাগর পুণ্যস্নান ও মেলা দর্শন সম্পন্ন করাই হল প্রশাসনের লক্ষ্য।
বুধবার গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নান, কড়া নিরাপত্তা ও বাড়তি সতর্কতা প্রশাসনের আগামী বুধবার পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নানের তিথি রয়েছে। তার আগেই সাগরদ্বীপে তীর্থযাত্রীদের ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। রবিবার ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ গঙ্গাসাগরের উদ্দেশে রওনা দিতে শুরু করেছেন। প্রশাসনের অনুমান, এ বছর কুম্ভস্নান না থাকায় গঙ্গাসাগর মেলায় পুণ্যার্থীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। সেই কারণেই মেলা পরিচালনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না প্রশাসন।
শুক্রবার গভীর রাতে গঙ্গাসাগর মেলাপ্রাঙ্গণে পুলিশের অস্থায়ী শিবিরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এর ফলে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের। ওই ঘটনার পর থেকেই মেলার নিরাপত্তা ও অগ্নি-নির্বাপণ ব্যবস্থার উপর বাড়তি নজরদারি চালানো হচ্ছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কোনও ধরনের বিপদ এড়াতে মেলাচত্বরের প্রতিটি বৈদ্যুতিক তার, সংযোগ এবং অস্থায়ী বিদ্যুৎ লাইন নতুন করে খতিয়ে দেখা হয়েছে। যেখানে প্রয়োজন সেখানে পুরনো তার ও সংযোগ বদল করা হয়েছে। এরকম অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সেই কারণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অতিরিক্ত অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বসানো হয়েছে। পাশাপাশি দমকল কর্মীদের টহলও বাড়ানো হয়েছে। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত তাঁবু ও অস্থায়ী হোগলাপাতার ছাউনিগুলি দ্রুত নতুন করে তৈরি করা হচ্ছে।