বাসের পিছনের দিকের কাচ ভেঙে যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েক জন গুরুতর ভাবে জখম হয়েছেন। আহতদের ভর্তি করানো হয় চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে। গেটের সামনে আটকে ছিলেন বাসের কন্ডাক্টর। তাঁকেও উদ্ধার করে চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এই দুর্ঘটনার জেরে প্রবল যানজট সৃষ্টি হয়। তপসিয়া হয়ে ইএমবাইপাসের দিকে যাওয়ার রাস্তায় বাস চলাচল বন্ধ রাখতে হয়। পরে যানজট পরিষ্কার হয়ে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়। জানা গিয়েছে, ফিটনেস সার্টিফিকেটের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরও রাস্তায় নেমেছিল দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটি।
ফিটনেস সার্টিফিকেট ছাড়া হাওড়া-বারুইপুরের মতো দীর্ঘ রুটে সরকারি বাস কীভাবে রাস্তায় চলছিল তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। সাধারণ যাত্রীদের জীবন বিপদে ফেলা কেন তা নিয়েও শুরু হয়েছে বিতর্ক। মনে করা হচ্ছে, এই কারণেই বাসের চাকা ফেটে দুর্ঘটনা ঘটেছে।
প্রথমে স্থানীয়রাই উদ্ধারকাজে হাত লাগালেও পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় পুলিশ।এক যাত্রী জানিয়েছেন, ‘বাস ধরতে যাব বলে ওদিকেই যাচ্ছিলাম। কিন্তু মোড়ের কাছে যেতেই শুনলাম যে বাসটা দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। চাকা ফেটে গিয়েছে, যাত্রীরা সব আহত। বুঝলাম যে রাস্তায় যানজট হবে, সমস্যা হবে।‘